চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চীনের ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে সরকার

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চীনের তৈরি সিনোফার্মের ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের জন্য সরকার অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বিজ্ঞাপন

আজ সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়- বিএসএমএমইউ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনলাইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

জানা যায়, ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবর রহমান দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে করোনা টিকা বিকল্প নানা উৎস ও সাইনোফার্ম বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

টিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমরা শুরুতে খুব ভালোভাবেই টিকা কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। কিন্তু মাঝ পথে ভারত টিকা বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের থেমে যেতে হয়েছে। আপনারা জানেন আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি, তবু বিকল্প হিসেবে আমরা রাশিয়ার টিকা অনুমোদন দিয়েছি, যেন আমাদের টিকা কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে পারি। এছাড়া কেউ যদি দেশে টিকা বানাতে চায়, সে সুযোগও আমরা দিচ্ছি। আমরা বলেছি, যে কেউ টিকা বানালে আমরা তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। আমাদের দেশে কয়েকটি ফ্যাক্টরি রয়েছে, যেখানে তারা টিকা তৈরি করতে পারে। আমরা চাই তারা টিকা বানিয়ে আমাদের দেশের মানুষকেও দিক এবং দেশের বাইরেও রপ্তানি করুক।

চীনের বেজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টসের উদ্ভাবিত বিবিআইবিপি-কোরভি নামের এই দুই ডোজের ভ্যাকসিন। চীন এরই মধ্যে এই ভ্যাকসিনের কোটি ডোজের বেশি মজুদ গড়ে তুলেছে এবং নিজ দেশে ব্যবহার করছে। পাশাপাশি এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার অনেক দেশে রপ্তানিও করছে।

ডব্লিউএইচওর অনুমোদন পেলে দরিদ্র্য দেশগুলোর জন্য টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করার জোট কোভ্যাক্সের তালিকাভুক্ত হবে সিনোফার্মের এই টিকা। সেক্ষেত্রে চীনের এই টিকাই হবে পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে উদ্ভাবিত ও উৎপাদিত প্রথম বৈশ্বিকভাবে অনুমোদিত টিকা।

ফাইজার-বায়োএনটেক, অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা জরুরি ব্যবহারে ডব্লিউএইচওর অনুমোদন পেয়েছে। এ সপ্তাহে মডার্নার টিকাও অনুমোদনের জন্য পর্যালোচনা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন