চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চীনের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা এখনও কম, উন্নয়নে কাজ চলছে

চীনের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা এখনও কম এবং সরকার তা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে বলে জানিয়েছে চীনের রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের পরিচালক গাও ফু।

তিনি জানান, চীনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষার হার খুব বেশি না। এখন সরকারিভাবে বিভিন্ন ভ্যাকসিনের মিশ্রণ তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

চীনা বিভিন্ন কোম্পানির উদ্ভাবিত করোনা ভ্যাকসিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রয়োগের জন্য সংগ্রহ করেছে। এই সংখ্যা কয়েক কোটি হতে পারে। একই সঙ্গে চীনের পক্ষ থেকে পশ্চিমা ভ্যাকসিনগুলো নিয়ে সংশয় তৈরি চেষ্টাও করছে বেইজিং।

চীনা ভ্যাকসিন সিনোভ্যাক-এর কার্যকারিতা ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ বলে ব্রাজিলে পরিচালিত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে উঠে এসেছে। বিপরীতে মার্কিন কোম্পানি ফাইজার উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৯৭ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

চীন এখনও নিজেদের দেশে ব্যবহারের জন্য বিদেশি কোনও ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেয়নি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই থেকে করোনার সংক্রমণ শুরু হয়।

চীনা কর্মকর্তা ভ্যাকসিনে কেমন পরিবর্তন হবে সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে তিনি এমআরএনএ প্রযুক্তির কথা উল্লেখ করেছেন। এই প্রযুক্তি পশ্চিমারা ভ্যাকসিন উৎপাদনে ব্যবহার করেছে। চীনে ব্যবহার করা হয়েছে প্রচলিত পুরনো প্রযুক্তি।

গাও ফু বলেন, সবার উচিত এমআরএনএ ভ্যাকসিনের সুবিধা বিবেচনা করা। আমাদের তা সতর্কভাবে নজর দেওয়া উচিত। আমাদের ইতোমধ্যে কয়েকটি ভ্যাকসিন আছে বলেই এই বিষয়ে চোখ বন্ধ করে থাকা উচিত হবে না।

এর আগে এই চীনা কর্মকর্তা এমআরএনএ ভ্যাকসিনের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। গত ডিসেম্বরে তিনি বলেছিলেন, এমন ভ্যাকসিনের নেতিবাচক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি তিনি একেবারে নাকচ করে দিতে পারছেন না।