চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গ্রিজম্যানকে ভয়ে রাখেন মেসি!

লিওনেল মেসি চেয়েছিলেন নেইমারকে, বার্সেলোনা এনেছে অ্যান্টনিও গ্রিজম্যানকে। ২০১৯ সালে অ্যাটলেটিকো থেকে বার্সায় আসার পর নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড। ন্যু ক্যাম্পে এসে গ্রিজম্যানের এভাবে ম্লান হয়ে যাওয়ার পেছনে মেসির দায় দেখছেন ফরাসি তারকার গুরু এরিক অলহাটস।

অলহাটসের দাবি, বার্সা অধিনায়কের অসহযোগিতার কারণে কাতালোনিয়ায় নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন না গ্রিজম্যান।

বিজ্ঞাপন

গত বছর আসলেও তার আগে থেকেই গ্রিজম্যানের সঙ্গে দলবদলের আলাপ চালিয়ে এসেছে বার্সা। ২০১৯-২০ মৌসুমের আগে মেসির চাহিদা ছিল নেইমারকে দলে টানা। তার আগে গ্রিজম্যানকে আনায় আর নেইমারকে কেনার মতো অর্থ ছিল না বার্সার।

নেইমারের বিকল্প হিসেবে এসে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী গ্রিজম্যান। দুমৌসুমে পেয়েছেন মাত্র ১৫ গোল। যার পেছনের কারণ হিসেবে ফরাসি ফরোয়ার্ডের কোনো দায় দেখছেন না গুরু ও এজেন্ট অলহাটস। ফ্রান্স ফুটবলকে এক সাক্ষাৎকারে গ্রিজম্যানের নিষ্প্রভ থাকার দায়টা অধিনায়ক মেসির কাঁধে তুলে দিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

‘অ্যান্টনিও এক বিপর্যস্ত ক্লাবে এসেছে, যেখানে সবকিছুতে মেসি নজর রাখে। সে এখানে একইসঙ্গে রাজা ও সম্রাট, অ্যান্টনিওর আসাটা সে ভালোভাবে নেয়নি। মেসির আচরণ দুঃখজনক। সবসময় শুনছি যে মেসির সঙ্গে অ্যান্টনিওর কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু ভালোও তো নয়। সেখানে ত্রাসের সাম্রাজ্য চলছে। হয় মেসির পক্ষে যাবেন নয়তো তার বিরুদ্ধে।’

মেসির কারণেই গ্রিজম্যান মাঠের খেলায় ধুঁকছেন বলে দাবি অলহাটসের, ‘গ্রিজম্যান তার সমস্যা মাঠেই সমাধানের চেষ্টা করে, আর বেশিকিছু না। সে কারও সঙ্গে সমস্যায় জড়ায় না। সে এটা পছন্দও করে না। মানে এই নয় যে তার ব্যক্তিত্বের অভাব আছে। সে শুধু ফুটবল ভালোবাসে, আর কিছু না। সে কারও সঙ্গে তর্ক করে না। জীবনে তাকে অসংখ্য সমস্যা কাটিয়ে উঠতে দেখেছি।’

‘গত মৌসুমে যখন গ্রিজম্যান এলো, মেসি তার সঙ্গে কথা বলেনি এবং পাসও দেয়নি। বুঝতে পারছিলাম সে ওখানে মানিয়ে নিতে পারছে না।’

মেসির সঙ্গে বার্সার চুক্তি বাকি আছে আর আট মাসের মতো। এরপরও ৩৩ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন ক্লাব ছাড়বেন না বলে মনে করেন অলহাটস।

‘আমার চোখে মেসি বার্সা ছাড়তে চেয়ে দেখতে চেয়েছিল ক্লাবের কর্মকর্তারা তাকে কোন দৃষ্টিতে দেখে, আর কাকে দলে রাখে কাকে বাদ দেয়, সেটা বোঝার জন্য। আসলে সে ক্লাব ছাড়বে না। ক্ল্যাসিক মেসি! মাঠে একইভাবে অসাধারণ আর সমানভাবে বাজে।’