চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘গ্যালিলিও’ নিয়ে সন্ধ্যায় মঞ্চে যাকের-নূর

আজ সেই বহুল প্রতীক্ষিত দিন! যে দিনটির জন্য বহুদিন অপেক্ষায় ছিলেন বাংলা নাট্যপ্রেমীরা। অপেক্ষায় ছিলেন মহান বিজ্ঞানী গ্যালিলিও রূপে মঞ্চ কাঁপাতে বাংলা নাট্যজগতের অন্যতম ব্যক্তিত্ব আলী যাকেরকে। সেই সাথে একই মঞ্চে অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরকে দেখতে।

অপেক্ষার দিনটি ফুরাচ্ছে শুক্রবার সন্ধ্যায়। এদিন ৭টায় মহিলা সমিতির মূল মঞ্চে দেখানো হবে ‘গ্যালিলিও’। পান্থ শাহরিয়ারের নির্দেশনায় বিশ বছর পর বাংলার মঞ্চে প্রদর্শীত হতে যাচ্ছে নাটকটি।

বিজ্ঞাপন

প্রায় ত্রিশ বছর আগে প্রথমবার দেখা গিয়েছিলো গ্যালিলিওকে। নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা আতাউর রহমান। সেসময় টানা দশ বছর নাটকটির মঞ্চায়ন চললেও গত বিশ বছর ধরে মঞ্চায়ন বন্ধ আছে ‘গ্যালিলিও’র। তবে এবার নতুন রূপে বাংলার দর্শকের সামনে মঞ্চে গ্যালিলিওর জীবনীকে তুলে ধরছেন নাট্য নির্দেশক পান্থ শাহরিয়ার।

নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের প্রযোজনায় মঞ্চে আসছে নাটকটি। ব্রেটল ব্রেখটের ‘দ্য লাইফ অব গ্যালিলিও গ্যালিলি’ অবলম্বনে নাটকটির বাংলা অনুবাদ করেন অধ্যাপক আবদুস সেলিম। যে নাটকে অভিনয় করছেন আলী যাকের, আসাদুজ্জামান নূর, কাওসার চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, পান্থ শাহরিয়ারসহ অনেকে।

কুড়ি বছর পর মঞ্চে আসছে ‘গ্যালিলিও’। নাটকটি নিয়ে এই চ্যানেল আই অনলাইনকে নির্দেশক পান্থ শাহরিয়ার বলেন, আতাউর রহমানের নির্দেশনায় ‘গ্যালিলিও’ নাটকটি আগে আড়াই ঘন্টার ছিলো সেটাকে আমি দেড় ঘন্টায় নামিয়ে এনেছি। এখনকার দর্শকদের ধৈর্য্যচুত্যি ঘটেছে। আড়াই ঘন্টার নাটক এখন তারা দেখতে চায় না। তাই একটু নতুনভাবে মঞ্চায়নে নাটকটির পরিকল্পনা করেছি।

নতুন করে মঞ্চে ‘গ্যালিলিও’র প্রদর্শনীকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন জানিয়ে এই নির্দেশক জানান, আতা ভাই আশির দশকে যে ‘গ্যালিলিও’ করেছিলেন সেটা বাংলা মঞ্চ নাটকের মাইলস্টোন হয়ে আছে। এটাকে নতুন করে তৈরি করা আমার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ ছিলো।

‘গ্যালিলিও’র মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে অভিনয় করতে দেখা যাবে বাংলা মঞ্চ নাটকের তুখোড় দুই অভিনেতা আলী যাকের ও আসাদুজ্জামান নূরকে। নির্দেশক হিসেবে তাদেরকে কীভাবে দেখছেন?-এমন প্রশ্নে পান্ত শাহরিয়ার বলেন, নূর ভাইয়ের ক্ষেত্রে বলতে পারি তিনি যতো ব্যস্ততার মধ্যেই থাকুক, তাকে যে মঞ্চ টানে এটা আমি বুঝতে পারি। আর যাকের ভাইতো দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার সাথে বিরাট একটা ফাইট দিয়ে কী পরিমাণ ইচ্ছা শক্তি থাকলে একটা মানুষ মঞ্চে অভিনয় করতে রাজি হলেন! ভাবা যায়!