চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গর্ভবতী মা ও নবজাতকের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ নির্দেশনা

করোনা পরিস্থিতিতে গর্ভবতী মা ও নবজাতকের অত্যাবশীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে গর্ভবতী মায়েদের জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। হাসপাতালে তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের কাছ থেকে গর্ভস্থ শিশুর আক্রান্ত হওয়ার কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। তবে ভূমিষ্ট হবার পর শিশুটি সংক্রমিত হতে পারে। তাই নবজাতকের প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে।নবজাতককে স্পর্শ করলে অবশ্যই মা সাবান পানি অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুবেন।’

‘নবজাতক ভূমিষ্ট হবার আধা ঘণ্টার মধ্যে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে। কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে কখনোই করোনা ছড়ায় না। নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়ানো ও শিশুর ত্বকের স্পর্শের সময় মা অবশ্যই মাস্ক পড়বে।’

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন, ‘দেশের সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং জেলা সদর হাসপাতালে আইএমসিআই পুষ্টি কর্ণারে অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের আইএমসিআই সেবা সমূহ যথারীতি চলমান আছে।’

সকল গর্ভবতী মায়ের বিশেষভাবে যত্ন ও খেয়াল রাখার পরামর্শ দিয়ে ডা. নাসিমা বলেন: পরিবারের সদস্যরা যেন সতর্ক থাকি যেন গর্ভবতী মায়েরা সংক্রমিত না হন। তারা যেন বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পড়েন, বিশ সেকেন্ড পর পর সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে পরিষ্কার করে। জনসমাগম এড়িয়ে এবং কমপক্ষে তিন ফুট ‍দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল করেন।

তিনি বলেন, ‘গর্ভবতী মায়েরা খুবই একটি সংবেদনশীল গ্রুপ, যার ওপর নির্ভর করছে ভবিষ্যত প্রজন্ম। পরিবারের সদস্যরা যেন বিশেষভাবে তাদের খেয়াল রাখেন এবং স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে যেন গর্ভবতী মায়েদের সঠিক সেবা নিশ্চিত করে।’

শেয়ার করুন: