চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

খুনের শিকার পাঁচ ব্লগার

নৃশংসভাবে হত্যার শিকার ব্লগারদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। গত ১২ মে সিলেটের অনন্ত বিজয়ের পর রাজধানীতে খুন হলেন আরেক ব্লগার। ঢাকার খিলগাঁওতে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ব্লগার নিলয় নীলকে। ব্লগার নিলয় নীল গণজাগরণ মঞ্চের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তাছাড়া বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।

এর আগে ঠিক একই কায়দায় হত্যা করা হয় আরো ৪ ব্লগার আহমেদ রাজিব হায়দার, অভিজিৎ রায় , ওয়াসিকুর রহমান বাবু ও অনন্ত বিজয়কে।

বিজ্ঞাপন

গত ১২ মে সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সকালে বাসা থেকে অফিস যাওয়ার পথে বাসার কাছেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অনন্ত বিজয় সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বের হলে কয়েক যুবক অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই হামলায় তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাও আহত হন। অভিজিৎ ‘মুক্তমনা’ নামে একটি বাংলা ব্লগ পরিচালনা করতেন। তার লেখালেখির বিষয় ছিলো বিজ্ঞান।

অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের পর ৩০ মার্চ রাজধানীর বেগুনবাড়িতে ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবুকেও একই কায়দায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সেসময় দু’জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে নিজের বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় আরেক ব্লগার আহমেদ হায়দার রাজিবকে।

অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের স্থানের কাছেই ২০০৪ সালে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদকে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জার্মানিতে মারা যান তিনি।

ব্লগার নিলয় হত্যার দায় এখনো কেউ স্বীকার করেননি। তবে আগে নিহত ব্লগারদের হত্যার দায় স্বীকার করে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম ও আল-কায়েদা। হত্যার বেশ কিছুদিন পর গত ৩ মে এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎকে হত্যার দায় স্বীকার করে জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার ভারতীয় শাখা ‘আল-কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্ট (একিউআইএস)’।  পরের দিন ব্লগার রাজিব হায়দার ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ কে এম শফিউল ইসলাম লিলনকে হত্যার দায়ও স্বীকার করে সংগঠনটি।

Bellow Post-Green View