চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ক্রিকেটারের উত্থান-পতনের গল্পে ২৬ পর্বের ওয়েব সিরিজ

পর্দায় উঠে আসছে ক্রিকেট খেলা। দেশের জনপ্রিয় এ খেলাকে কেন্দ্র করে নির্মিত ওয়েব সিরিজে একজন ক্রিকেটার উত্থান, চারপাশ বদলে যাওয়া ও তার অধঃপতন দেখানো হবে। যেটি পরিচালনা করেছেন সুপরিচিত নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ।

ক্রিকেট নিয়ে নির্মিত এ ওয়েব সিরিজটি তৈরি হয়েছে ২৬ পর্বে। নাম ‘ম্যাচ উইনার’। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনলাইন প্লাটফর্মে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই ওয়েব সিরিজটি প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ম্যাচ উইনার’র গল্পের ধারণা দিতে পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ জানান, ক্রিকেটের পাশাপাশি সম্পর্ক, পারিবারিক টানাপড়েন এগুলো থাকবে। পাশাপাশি একজন ক্রিকেটারের ক্রিকেটার হয়ে ওঠার গল্প এবং এরমধ্যে পারিবারিক সামাজিক দ্বন্দ্ব দেখানো হবে। ক্রিকেটার হতে গিয়েও অনেকসময় ট্র্যাক থেকে সরে গিয়ে ট্র্যাপে পড়ে একটা সময় আবার সঠিক পথে ফিরে আসে।

যেহেতু এটি সিনেমা নয়, সেকারণে ক্রিকেট কেন্দ্রিক এ গল্প নিয়ে ওয়েব ফিল্ম বানাতে কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয়নি বলে জানান নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ। তিনি বলেন, যেহেতু এটি ওয়েবের কাজ তাই গল্প বলার স্বাধীনতা থাকছে। ক্রিকেট নিয়ে একটি গল্প বলার চেষ্টা করেছি। ক্রিকেট সংগঠক ওয়াসিম খান কাজটির জন্য আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন।

বিজ্ঞাপন

করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণের আগে মানিকগঞ্জ, পুরান ঢাকা, পূবাইল, উত্তরা, বসুন্ধরা রিভার ভিউসহ বিভিন্ন লোকেশনে ‘ম্যাচ উইনার’ এর শুটিং হয়েছে। পরিচালক বলেন, গ্রাম শহর মিলিয়ে গল্প এগিয়েছে। সেকারণে লোকেশনে বৈচিত্র রাখা হয়েছে। প্রতিপর্ব প্রচার হবে ২২ মিনিট করে।

‘ম্যাচ উইনার’ ওয়েব সিরিজের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ইয়াশ রোহান, নিশাত প্রিয়ম, গোলাম কিবরিয়া তানভীর, নাজিবা বাশার, নরেশ ভূঁইয়া, হিন্দোল রায়, মিলি বাশার, সুজাত শিমূল, রিগান সোহাগ রত্ন, জুলফিকার চঞ্চল, আশরাফুল আলম রন্টু, মাহবুবুর রহমান, নাসির উদ্দীন খান, মোক্তার হোসেন।

এর আগে মোশাররফ করিম ও মমকে নিয়ে ‘ভালো বাসা’ নামে একটি ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করেছিলেন আবু হায়াত মাহমুদ। কাজটি শিগগির একটি ওটিটিতে মুক্তি পাবে।

নতুন ওয়েব সিরিজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়েবের জন্য কাজ করতে গেলে প্রোডাকশনে আলাদা আলাদা জনবল থাকে। লাইট, কস্টিউম থেকে প্রতিটি সেক্টরে আলাদা মানুষ কাজ করেন। সে কারণে ওয়েবের কাজ তুলনামূলক পরিপাটি হিসেবে করা হয়।