চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ক্যালগেরি সিটি নির্বাচন: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাচনী লড়াইয়ে

আগামী ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কানাডার ক্যালগেরিতে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিভিন্ন ভাষাভাষীর ২৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিজানুর রহমান মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন।

ক্যালগেরির সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীরা করোনায় অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্যালগেরি শহর চষে বেড়াচ্ছে। লিফলেট, পোষ্টার আর সাইনবোর্ডে সয়লাব এখন পুরো ক্যালগেরি শহর। কানাডার বাংলাদেশি কমিউনিটি থেকে এবার মিজানুর রহমান একাই সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

২০১৫ সালে, মিজানুর রহমান ক্যালগেরি পশ্চিমের এনডিপি রাজনৈতিক দলের প্রথম রানার-আপ প্রার্থী ছিলেন। তিনি ইউনাইটেড কনজারভেটিভ পার্টির নির্বাচনী এলাকার পরিচালনা পর্ষদের একজন কার্যকরী সদস্য। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।

বিজ্ঞাপন

মিজানুর রহমান তার রাজনৈতিক জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ক্যালগেরিবাসী তথা প্রবাসীদের সেবায় এগিয়ে আসতে চান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্যালগেরি শহরের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে আমি অবগত।শুধু বাংলাদেশি কমিউনিটি নয় অন্যান্য সংখ্যালঘু নৃ-জাতি কমিউনিটিগুলির একই অবস্থা। কানাডার প্রধান শ্বেতাঙ্গ জাতি যে পর্যায়ে এগিয়ে আছে তাতে কানাডার সকল সুযোগ সুবিধা ওরাই ভোগ করছে। সংখ্যালঘু নৃ-জাতি কমিউনিটিগুলির বড় সমস্যা হচ্ছে ভাষা ও প্রতিকূল আবহাওয়া। ফলে শ্বেতাঙ্গদের সাথে চাকরি বাজার ও ব্যবসা বাণিজ্যে আমরা অনেক পিছিয়ে।

তিনি বলেন, কানাডার প্রধান শ্বেতাঙ্গ সমাজ আমাদেরকে অদক্ষ শ্রমিক মনে করে কিন্তু আমরা কেউই অদক্ষ নই। শুধু ভাষাই প্রতিবন্ধক। এই সমস্যাটি অতিক্রম করতে পারলে কানাডার মাটিতে আমরা অনেক সুযোগ সুবিধা লাভ করব এবং কানাডার অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারব। আর এই জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

উল্লেখ্য কানাডার নির্বাচন এবং রাজনীতিতে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ কানাডার সরকার এবং রাজনীতিতে কমিউনিটির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে, ফলে অভিবাসন, শিক্ষা, শ্রমশক্তি রপ্তানি, অর্থপাচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষে এই নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করছেন কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।