চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কেরানীগঞ্জে স্বাস্থ্য সেবার নতুন দিগন্ত

গত ১ দশকে কেরানীগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবায় এসেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। দেশের প্রতিটি মানুষে যাতে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই অঙ্গীকারকে বাস্তবায়ন করার জন্য তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ বিপু। কেরানীগঞ্জে বর্তমানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে অটিজমে আক্রান্ত শিশুরাও।

কেরানীগঞ্জের বন্দরডাকপাড়ায় একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অটিজম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। এখানে লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পাঠদান ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে ৮ জন শিক্ষক রয়েছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছে সমাজসেবা অধিদফতরের অনুমোদন। কেরানীগঞ্জে মোট পাঁচ হাজার অটিস্টিক শিশু রয়েছে যাদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে স্থানীয় সংসদ সদস্যের তত্বাবধায়নে।

Advertisement

কেরানীগঞ্জে রয়েছে মোট ২০টি কমিউনিটি ক্লিনিক। এসব সেবাকেন্দ্র প্রতিদিন ৮০০জন মানুষ সেবা পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সেখানে চিকিৎসা প্রদান করেন। এখানে রয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সুবিধা সম্পন্ন ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল।

সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেরানীগঞ্জ সফর করে এই এই এলাকায় ২৫০শ’ শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন, যা অচিরেই বাস্তবায়ন হবে। কেরানীগঞ্জের হাসপাতালগুলোতে রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স ও প্রসূতিসেবার ব্যবস্থা। সরকারি হাসপাতালেই রয়েছে রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা ও আধুনিক যন্ত্রপাতি। যার ফলে বেসরকারি মুনাফালোভি প্রতিষ্ঠানের দৌরাত্ব অনেকাংশ হ্রাস পেয়েছে।

সন্তান জন্মদানের পর প্রসূতির মায়ের সব চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে হাসপাতাল থেকেই। কেরানীগঞ্জের শিশুদের জন্য নেয়া হয়েছে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালের উদ্যোগ। গরিব ও অসহায় লোকদের বিনামূল্যে শতভাগ চিকিৎসা সেবার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য নেয়া হয়েছে ডায়াবেটিক হাসপাতাল। উপজেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের কাজও প্রায় শেষ।

আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এক কেরানীগঞ্জ মেগা সিটির যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে তার ধারা অব্যাহত থাকলে বলে আশাবাদ স্থানীয় সংসদ সদস্য , জ্বালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর।