চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কৃষক আন্দোলনের মুখে দিল্লি-উত্তর প্রদেশ সীমান্ত আংশিক বন্ধ

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে ২৫ দিন ধরে কৃষকদের চলমান আন্দোলনে থেকে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশের সীমান্ত আংশিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা আন্দোলন করতে এসে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

বিজ্ঞাপন

কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যর ন্যূনতম সহায়তা মূল্যের (এমএসপি) উপর সরকারের আশ্বাসের মধ্যে দিয়ে আন্দোলন তীব্র হওয়ার সাথে সাথে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্ত আংশিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

শনিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষকদের বিক্ষোভের বিষয়ে কোনো কথা উল্লেখ না করে আবারও নতুন আইনের পক্ষে কথা বলেন।

মোদি বলেন, ‘ছয় মাস আগে শুরু করা কৃষিক্ষেত্রের সংস্কার কৃষকদের উপকার করতে শুরু করেছে। ’

বিজ্ঞাপন

বিক্ষোভকারীরা দিল্লি-মীরাট মহাসড়ক আংশিকভাবে অবরোধ করে দিয়ে অন্য রাজ্য থেকে আসা কৃষকদের আন্দোলনে যোগ দেয়ার অনুমতি দিতে সরকারকে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।  বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছে, তাদের দাবি মানা না হলে আগামী ২৪ ঘণ্টা তারা পুরোপুরি মহাসড়ক অবরোধ করবে।

‘সর্বভারতীয় কিষাণ সংঘ কমিটির’ পক্ষ থেকে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিংকে পাঠানো এক চিঠিতে বিক্ষোভকারীরা কোনও রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নয় বলে জানানো হয়েছে বলে পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।

সরকার বিরোধী দলগুলি বিক্ষোভকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করার পরে এই মন্তব্য করা হয়।

অচলাবস্থা সমাধানের জন্য আলোচনার প্রয়োজনের উপর জোর দিয়ে দেশটির প্রধান বিচারপতি এস এ ববদে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সপ্তাহের শুরুতে বলেছিল কৃষকরা বিক্ষোভ অব্যাহত রাখতে পারে। আমরা এটা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে, একটি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছি।  তবে আন্দোলন করতে গিয়ে কারও জান বা সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্থ করা উচিত হবে না বলে জানান তিনি।

নতুন আইনে কৃষকদের স্বার্থে আঘাত আসবে আশঙ্কা থেকেই গত নভেম্বর থেকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে কৃষকরা।