চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কলকাতায় সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতির বহরে হামলা

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের অনুসারীদের বিরুদ্ধে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার গাড়ী বহরে ইট, পাথর দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতায় এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ওই হামলায় বিজেপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং অনেকগুলো গাড়ী ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। তবে মারাত্মক নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগ করা হয়েছে মমতা ব্যানার্জির প্রশাসনের দিকে।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ হামলার পেছনে কাদের ইন্ধন রয়েছে তা জানতে চেয়ে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রের জনগণের কাছে এ হামলার জবাব দিতে হবে।

নাটকীয় ওই হামলার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, বিজেপির সভাপতির ওই গাড়ী বহরের একটি গাড়ীতে ইট পাথর দিয়ে হামলা করা হয়। গাড়িটির সামনের অংশ এবং জানালার কাঁচের অংশ ভেঙ্গে যায়।

বিজ্ঞাপন

বিজেপির সভাপতি নাড্ডা বলেন, আমি এখানে একটি সভায় যোগ দিতে এসেছিলাম। তবে মা দুর্গার অশেষ কৃপায় এ যাত্রায় বেচে গেছি। এ হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী প্রতিবাদ করেছে বিজেপি।

এ হামলার বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য বিজেপিকে অভিযুক্ত করে বলেছে, পরের বছর নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ হামলা উদ্দেশ্যমূলকভাবে চালানো হয়েছে। বিজেপি একটি নতুন হিন্দু ধর্ম তৈরি করছে। এটি একটি ঘৃণ্য ধর্ম। তারা ওই হামলার ভিডিও তৈরি করছে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে তা ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দুপুর বারোটার দিকে বিজেপি নেতারা কলকাতার কাছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার সময় এ হামলা চালানো হয়। ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জি।

মোটরসাইকেলের কিছু বিজেপি কর্মীকে লাঠিপেটা করা হয়। বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের যানবাহনেও ইট-পাথর মারা হয়। তৃণমূলের বিক্ষোভের সময়ে বিজেপির ওই গাড়ী বহরটি ওই অঞ্চল পার হচ্ছিল।  তখনই লাঠি, ইট পাথর দিয়ে গাড়ী বহরে হামলা চালানো হয়।

এই আক্রমণে বিজেপি নেতা মুকুল রায় এবং কৈলাশ বিজয়ভার্জী আহত হয়েছেন। এটি গণতন্ত্রের জন্য লজ্জাজনক। আমাদের ওই বহরের এমন একটি গাড়ি নেই যা আক্রমণ করা হয়নি। আমি নিরাপদ কারণ আমি বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম। পশ্চিমে এই গুন্ডাবাজদের বাংলায় অবসান ঘটাতে হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নাড্ডা।