চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনা: যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বৃহৎ অর্থনৈতিক প্রণোদনা প্যাকেজ

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় প্রণোদনা প্যাকেজে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়।

হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে খাদ্রসংগ্রহ নিয়ে সিনেটের প্রশ্ন তোলার মাত্র ২ দিন পরেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

বিজ্ঞাপন

গত বুধবার ৩.৩ মিলিয়ন আমেরিকান বেকারত্বের অভিযোগ তোলে। অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে এখন নিশ্চিত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। ১০০,০০০ মানুষ সেখানে করোনা পজিটিভ। সবমিলিয়ে বাড়তি প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিজ্ঞাপন

ট্রাম্প বলেন, আগের যেকোনো ত্রাণ তহবিলের মধ্যে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দেশের পরিবার, কর্মী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে যাদের খুব বেশি প্রযোজন তাদের মধ্যে এটা বিতরণ করা হবে।

এই অ্যাক্টটাকে চুক্তিতে রূপান্তরের আগে ট্রাম্প ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্টের দ্বারস্থ হন যেটা প্রেসিডেন্টকে সেই ক্ষমতা দেয় যার বলে দেশের প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে জরুরি কিছু ব্যক্তিগত ইন্ডাস্ট্রি থেকে বানাতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

ট্রাম্প বলেন, এই আদেশের কারণে জেনারেল মোটরস(জিএম) সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ভেন্টিলেটর তৈরি করতে দিবে। তার কিছুক্ষণ আগেই টুইটারে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, জিএম ৪০,০০০ অতিপ্রয়োজনীয় মেডিকেল ভেন্টিলেটর সরবরাহ করবে খুব দ্রুতই। কিন্তু এখন তারা বলছে তারা এপ্রিলের মধ্যে মাত্র ৬,০০০ দিবে তাও অনেক বেশি ডলারের বিনিময়ে।

বিলটিতে সই করার সময়ে ট্রাম্প বলেন, অনেক অনেক মেডিকেল সরবরাহ আসবে খুব দ্রুতই, যেসব বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে সেগুলোর খুব ভালো ফলাফল আসবে।

শুক্রবার সকালে নিউ ইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো আটটি অস্থায়ী হাসপাতালের ঘোষণা দেন উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য।

কী থাকছে প্রণোদনা প্যাকেজে
নতুন আইনের বলে যাদের জীবন যাপন ও ব্যবসা এই মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সরাসরি প্রণোদনা প্রদান করা হবে।বছরে ৭৫০০০ ডলারের কম আয় করে যারা তাদের ১২০০ ডলার ও প্রত্যেক শিশুকে ৫০০ ডলার প্রদান করা হবে।রাষ্ট্রীয় সরকার ও বেকারত্ব উন্নয়ন প্রোগ্রামে সহায়তাকারীদেরও টাকা দেয়া হবে। চাকরিহীনদের সুবিধা আরো বর্ধিত করা হবে। বিশেষ করে আগে যারা এসব সুবিধা পেতেন না যেমন ফ্রিল্যান্সার বা অস্থির অর্থনীতিতে কাজ করে তারাও এর অন্তর্ভূক্ত হবেন।

যেসব কোম্পানির ব্যবসা হচ্ছে না তাদের ঋণ বা ট্যাক্স মওকুফও হবে।