চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত এক লাখ

নতুন রেকর্ড করে মাত্র একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের শনাক্ত সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাবিশ্বে ১ লাখ ৫ হাজার ৬১৬ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেরই প্রায় ৩৯ হাজার।

ওয়ার্ল্ডোমিটার বলছে, এরআগে একদিনে আক্রান্ত শনাক্তের সবোর্চ্চ সংখ্যা ছিল গত ৩ এপ্রিল। সেদিন শনাক্ত হয়েছিল ৯৬ হাজার ৩৪৬ জন। কিন্তু সেই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গতকাল ২৫ এপ্রিল।

বিজ্ঞাপন

ডিসেম্বরে শনাক্ত হওয়া ভাইরাসটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী মৃত্যুবরণ করেছে ৬ হাজার ১৭৪ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৫১জন মানুষ। আর এতে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ২৪৫ জনের।

গত কয়েকসপ্তাহের করোনাভাইরাসের মৃত্যু এবং আক্রান্তের সংখ্যা তুলনা করে দেখা যায়, শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। পাশাপাশি সেদেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩৮ হাজার ৭৬৪জন। মৃত্যু ১৯৫১ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৮ জন। আর মৃত্যুু হয়েছে ৫২ হাজার ১৮৫ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রের পরের অবস্থান যুক্তরাজ্যের। দেশটিতে একদিনেই মৃত্যু হয়েছে ৭৬৪ জনের। সেখানে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৩৮৬ জন। মোট মৃত্যু ১৯ হাজার ৫০৬।

বিজ্ঞাপন

গত কয়েকদিনের হিসেবে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যুর হিসেবে এর পরেই ফ্রান্স থাকলেও দেশটিতে করোনা প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমেছে। দেশটিতে নতুন ১ হাজার ৬৬৫ জন রোগী শনাক্তের খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে মারা গেছেন ২২ হাজার ২৪৫ জন। একদিনেই মারা গেছে ৩৮৯ জন।

যুক্তরাজ্যের পর ইউরোপের দেশ ইতালিতে একদিনেই মৃত্য হয়েছে ৪২০ জনের। সব মিলিয়ে মারা গেছেন ২৫ হাজার ৯৯৬ জন। আক্রান্ত ৩ হাজার ২১ জন। মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৯৪ জন।

এছাড়াও ইউরোপের আরেক দেশ স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৭৪০ জন, আর হয়েছে মৃত্যু ৩৬৭ জনের।

জার্মানিতে ১৮৫ জন, ইরান ৯৩ জন, বেলজিয়ামে ১৮৯ জন, নেদারল্যান্ডসে ১১২ জন এবং তুরস্কে ১০৯ জন, ব্রাজিলে ৩৫৭ জন, কানাডা ১৫৫ জন, সুইডেনে ১৩১ জন এবং আয়ারল্যান্ড ২২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মহামারির চেয়েও ভয়ংকর রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হয়। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় চীনে ৬জন নতুন রোগী শনাক্ত হলেও কেউ মারা যায়নি।

দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৮২ হাজার ৮০৪জন। মারা গেছে ৪ হাজার ৬৩২ জন মানুষ।