চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: এ পর্যন্ত দেশে ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ১৪৩তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৯৬০ জনের দেহে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৩৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশে মৃত্যের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার। এসময়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৩১ জন।

মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৭০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৭১৪টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১১ লাখ ৩৭ হাজার ১৩১টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ২ হাজার ৯৬০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৯ হাজার ১৮৫ জন। মোট শনাক্তের হার ২০ দশমিক ১৫ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৫ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার -এ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৭৩১ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪১৪ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

ডা.নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের পুরুষ ২৬ জন ও নারী ৯ জন। এদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব দুইজন, চল্লিশোর্ধ্ব তিনজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১০ জন, ষাটোর্ধ্ব ১৩ জন, সত্তরোর্ধ্ব তিনজন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী চারজন ছিলেন। ঢাকা বিভাগের ছিলেন ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন, খুলনা বিভাগের চারজন, সিলেট বিভাগের চারজন, রাজশাহী বিভাগের তিনজন, বরিশাল বিভাগের তিনজন, ময়মনসিংহ বিভাগের দুইজন এবং রংপুর বিভাগের দুইজন ছিলেন।

মৃতদের মধ্যে ২৬ জন হাসপাতালে, ৮ জন বাড়িতে মারা গেছেন। এছাড়া ১ জন মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৬৬ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৬ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১ কোটি ২ লাখের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশের ইতিহাসের দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে গণপরিবহনও।