চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: সাধারণ ছুটির মেয়াদ আরও বাড়লো

দেশে করোনাভাইরাস এর বিস্তার ঠেকাতে সরকার ঘোষিত ছুটির মেয়াদ আবারও বাড়লো। আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে সাধারণ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১১ তারিখ পর্যন্ত ছুটি থাকলেও সঙ্গে এবার যোগ হলো ১২ ও ১৩ এপ্রিলের ছুটি। এর সঙ্গে ১৪ এপ্রিলে নববর্ষের ছুটিও নির্বাহী আদেশে যুক্ত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

রোববার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

তবে জরুরি পরিসেবাসমূহ যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না।

বিজ্ঞাপন

তাছাড়া কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানী, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে অফিসসমূহ খোলা রাখা যাবে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা খোলা রাখা যাবে। মানুষের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে রিক্সা-ভ্যানসহ যানবাহন, বাস, ট্রেন পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। ছুটিকালীন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং সেবা চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করবে।

করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৬শে মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথমবার সরকারী ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে সেটা বাড়িয়ে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। যার সঙ্গে ১০ ও ১১ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ ছিলো। এবার তৃতীয় দফায় বাড়ানো হলো ছুটির মেয়াদ।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৩২ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৩ জন এবং মারা গেছেন ৯ জন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। পরে বিশ্বব্যাপী সেটা মহামারীর রূপ ধারণ করে। সারা বিশ্বে রোববার পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ লাখ ছাড়িয়েছে। আর প্রাণ হারিয়েছে ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষ।