চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনা ভ্যাকসিন দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা মেডিক্যালসহ ৪ হাসপাতাল

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালসহ ৪ হাসপাতাল। ইতিমধ্যে তারা করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

হাসপাতালগুলো হলো: ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বুধবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে সকালে বৈঠকে মহাপরিচালক (স্বাস্থ্য) নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। জরুরি বিভাগের আন্ডারগ্রাউন্ড করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে রাখা হয়েছে। স্থানটি জরুরি কাজের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। সেটা এখন ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হতে পারে।

তিনি জানান, বৈঠকে মহাপরিচালক জানিয়েছেন আগামী মাসে আমরা ভ্যাকসিন পেতে পারি। দেশের যে চার হাসপাতাল প্রথমে ভ্যাকসিন পাবে তার মধ্যে ঢামেক হাসপাতালও রয়েছে। অন্য হাসপাতাল গুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা নিয়ে কমিটিও করা হবে।

ভ্যাকসিন প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে মিটফোর্ড হাসপাতাল
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা পেয়ে ভ্যাকসিনের প্রয়োগ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে।

বুধবার সকালে মহাপরিচালক (স্বাস্থ্য)-এর মিটিংয়ে এই নির্দেশনা দিয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান।

মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রশিদ-উন-নবী জানান, আজ সকালেই মহাপরিচালক (স্বাস্থ্য)-এর সাথে আমাদের মিটিং হয়েছে। করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিয়ে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন এবং সব রকম প্রস্তুতি সেরে ফেলতে বলেছেন। সে নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, সম্ভাব্য স্থান হচ্ছে হাসপাতালের ১১ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় কনফারেন্স রুমে ভ্যাকসিন প্রয়োগের স্থান নির্ধারিত হতে পারে।

তিনি আরও জানান, যারা প্রয়োগ করবে তাদের ট্রেনিং দেওয়া হবে। এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত লোকদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। মহাপরিচালক (স্বাস্থ্য) মিটিংয়ে আমাদের বলেছেন, আগামী মাসে আমরা করোনা ভ্যাকসিন পেতে পারি।