চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কনওয়ের রেকর্ডগুলো

কাব্যিক এক অপরাজিত সেঞ্চুরি দিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টে অভিষেক রাঙিয়েছেন ডেভন কনওয়ে, পায়ের তলায় মজবুত মাটি পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। সাদা পোশাকে যাত্রার দিনটিতে রেকর্ডের একাধিক পাতায় ছাপ ফেলেছেন কিউই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।

বুধবার সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথমদিন ৩ উইকেটে ২৪৬ রানে পার করেছে নিউজিল্যান্ড। যার ১৩৬ রানই কনওয়ের। তার আরেক অপরাজিত সঙ্গী হেনরি নিকোলসের রান ৪৬।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বাকিদের মধ্যে টম ল্যাথাম ২৩, অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ১৩, অভিজ্ঞ রস টেলর ১৪ রানে ফিরে গেছেন। সিনিয়রদের ব্যর্থতার দিনে কনওয়ে ও নিকোলস ১৩২ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন আছেন।

টেস্টের ময়দানে পা রাখার দিনে কনওয়ে অপরাজিত ইনিংসটি দিয়ে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। লর্ডসে ১৩৭ বছরের ইতিহাসে তার ইনিংসটিই এখন অভিষেকে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ, যা বাড়ানোর সুযোগ থাকছে দ্বিতীয় দিনে। ১৯৯৬ সালে সৌরভ গাঙ্গুলির ১৩১ পেছনে ফেলে ইতিমধ্যে শীর্ষে পৌঁছে গেছেন বাঁহাতি কিউই।

বিজ্ঞাপন

টেস্ট অভিষেকে ১২তম কিউই হিসেবে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়লেন কনওয়ে। তবে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি লর্ডসে অভিষেকে সেঞ্চুরির খোঁজ পেলেন।

সব দল মিলিয়ে লর্ডসে অভিষেকে সেঞ্চুরি তোলা ষষ্ঠ কীর্তিমান কনওয়ে, তৃতীয় সফরকারী ব্যাটসম্যান। ১৯৯৬ সালে ভারতের রাহুল দ্রাবিড়ের পর এই প্রথম লর্ডসে অভিষেকে ফিফটি পেরোলেন কোনো সফরকারী।

কনওয়ের আগে লর্ডসে অভিষেকে যারা সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তাদের প্রথমজন অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি গ্রাহাম, সেই ১৮৯৩ সালে। তারপর ইংল্যান্ডের জন হ্যাম্পশায়ার (১৯৬৯), ভারতের সৌরভ গাঙ্গুলি (১৯৯৬), ইংল্যান্ডের অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস (২০০৪) ও ম্যাট প্রায়র (২০০৭)।

২৯ বছর বয়সী কনওয়ের ইনিংসটি নিউজিল্যান্ডের হয়ে দেশের বাইরে অভিষেকে সর্বোচ্চ। ২০১০ সালে আহমেদাবাদে ভারতের বিপক্ষে কেন উইলিয়ামসনের করা ১৩১ এখন পেছনে পড়ে গেছে।