চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভ্যাকসিনের দাম এক দেশে বেশি হলে অন্য দেশে যাবো: অর্থমন্ত্রী

ভারত থেকে বেশি দামে ভ্যাকসিন কেনার বিষয় নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন: কোনো দেশ যদি করোনার ভ্যাকসিনের দাম বেশি বলে, তবে অন্য দেশ থেকে আনার চেষ্টা করা হবে।

বুধবার অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

ভারতে ২০০ রুপি বা ২ দশমিক ৭২ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪০ টাকা) প্রতি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি করবে। আর বাংলাদেশের কাছে প্রতিডোজ ভ্যাকসিন বিক্রি করবে ৪ ডলার বা ৩৪০টাকায়।

ভারতের চেয়ে প্রায় ৪৭ শতাংশ বেশি দামে বাংলাদেশে ভ্যাকসিন কেনা হচ্ছে, এর ফলে বাজেটে কী প্রভাব পড়বে- এমন প্রশ্ন করা হয় অর্থমন্ত্রীকে।

বিজ্ঞাপন

এর জবাবে তিনি বলেন: আমি এটা জানি না, দাম বেশি হয়েছে কিনা। ইন্ডিয়া যদি ভ্যাকসিন তৈরি করে তাহলে তাদের উৎপাদন ব্যয় তো কম হবেই। কিন্তু তারা যখন বিক্রি করবে তখন অবশ্যই তাদের খরচ ও মুনাফা ধরেই বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করবে। তাদের যে খরচ হবে সেই দামে আমরা পাবো, তাদের দেশে যদি তৈরি করা হয় এটা প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না।

“তবে আমরা দেখব যে, আন্তর্জাতিক বাজারে ভ্যাকসিনের দাম কত এবং আমরা কতে দামে পাচ্ছি। সেটা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবো। কারণ এক দেশ ভ্যাকসিন তৈরি করবে না, অনেক দেশই তৈরি করবে। এক দেশ থেকে যদি বেশি দাম বলে তাহলে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা অবশ্যই করব। সেই সুযোগ আমাদের আছে।”

আগামী বাজেটে ভ্যাকসিন কতটা গুরুত্ব পাবে এবং জনস্বাস্থ্যের কোন বিষয়কে বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হবে?

এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন: এই মুহূর্তে জাতির যে চাহিদা সেটা হচ্ছে ভ্যাকসিন, সবাই অপেক্ষা করে আছে আমরা কবে ভ্যাকসিনের কাজটা শুরু করবে। কবে ভ্যাকসিন সবাইকে দেয়া শেষ করতে পারব। ভ্যাকসিন আনা কঠিন কাজ নয়। ভ্যাকসিন দেয়াটা কঠিন কাজ। সবাইকে ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসা খুব জটিল কাজ। আমরা বিশ্বাস করি আমরা এখানে সফল হবো। আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েই এগুবো।

অর্থমন্ত্রী বলেন: প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা হলো, সবার এমনকি যারা খরচ বহন করতে পারবেন না তাদেরও খরচ তিনি বহন করবেন। এটা একদিনে হবে না। দেশের ১৭ কোটি মানুষকে একদিনে এটি দেয়া যাবে না। সেজন্য কিছু ধাপ থাকবে। প্রথম ধাপে কারা পাবেন, দ্বিতীয় ধাপে কারা পাবেন, তৃতীয় ধাপে কারা পাবেন, এভাবে শনাক্ত করে ভ্যাকসিন দিতে হবে। আশা করি, দেশের ১৭ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনতে পারব।