চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন প্লান্ট বিশ্বমানের সক্ষমতা অর্জন করেছে’

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান

অবকাঠামো এবং জিএমপি (গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাকটিস) মান অনুযায়ী ভ্যাকসিন উৎপাদন করে ইতিমধ্যেই ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড বিশ্বমানের প্লান্ট হিসেবে সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, আমি মনে করি কোভিড-১৯ এর সময়ে ভ্যাকসিনের জন্য অন্যকোন দেশও এই প্লান্ট ব্যবহার করতে পারবে, এতে বিশ্বের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হওয়ার ক্ষেত্রে ইনসেপ্টার ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা বড় ধরনের ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞাপন

দেশের প্রথম জীবনরক্ষাকারী আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড-এর উৎপাদন প্লান্ট পরিদর্শনকালে তিনি এমন এসব কথা বলেন।

শনিবার তিনি সাভারের জিরাবোতে ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন-এর বাল্ক ফ্যাসিলিটি, আর এন্ড ডি ফ্যাসিলিটি, প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটি এবং এনিম্যাল হাউস পরিদর্শন করেন।

বিজ্ঞাপন

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরো বলেন, ইনসেপ্টার প্রতিবছরে ১৮০ মিলিয়ন ডোজেস ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। এটি আমাদের সবার জন্য বড় সুখবর। এক্ষেত্রে সারাবিশ্বে যখন করোনা ভ্যাকসিনের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে তখন ওয়ার্ল্ড কমিউনিটি এই ফ্যাসিলিটিস ব্যবহার করবে বলে আমরা আশাবাদী।

ঢাকার সাভার-এ ২০১১ সালের জুন মাসে ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিঃ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। যেখানে ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা পরিসরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জিএমপি নীতিমালা অনুযায়ী স্থাপিত প্লান্ট রয়েছে। এতে রয়েছে ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য উন্নত মানসম্পন্ন সকল যন্ত্রপাতি। এছাড়া বৃহৎ এনিম্যল হাউস রয়েছে, যেখানে এনিম্যাল এর উপর বিভিন্ন ধরণের টেস্ট করা হয়। ভ্যাকসিন উৎপাদনের সকল কাজ পরিচালনার জন্য রয়েছে বিদেশী বিশেষজ্ঞ ও দক্ষ ফার্মাসিস্টবৃন্দ।

ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিঃ, জুন ২০১১ থেকে তার উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে এবং এখন পর্যন্ত ১৩টি ভ্যাকসিন (ইমিউনোগ্লোবিউলিনসহ) যেমন- র‌্যাবিস, র‌্যাবিস-আইজি, হেপাটাইটিস- বি, হেপাটাইটিস-এ, টাইফয়েড, টিটেনাস, টিটেনাস-আইজি, মিজেলস-রুবেলা, এন্টিভেনাম, ফ্লু ও মেনিনজাইটিসসহ বেশ কয়েক ধরনের ভ্যাকসিন অত্যন্ত সফলভাবে উৎপাদন ও বাজারজাত করেছে। এই কোম্পানিটি সারাদেশে নিজস্ব সুগঠিত এবং নিয়ন্ত্রিত কোল্ড চেইন সিস্টেমের মাধ্যমে ফ্যাক্টরী থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত ভ্যাকসিন গুণগত মান নিশ্চিত করে ।

এসময় তার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন- ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন, ইনসেপ্টার চীফ অপারেটিং অফিসার মাহবুবুল করীম, ইনসেপটার সাইট হেড সেলিম বারামী এবং ডিজিএম (প্রশাসন) জাহিদুল আলম।