চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেননি। তাই গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে হল লিওনেল মেসিকে। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক দেখলেন স্পেনের কাছে রীতিমত খড়কুটোর মত উড়ে গেল তার দল! প্রীতি ম্যাচে স্পেনের কাছে ৬-১ গোলে উড়ে গেছে গত বিশ্বকাপের রানার্সআপরা।
হ্যাটট্রিক করেছেন ক্লাব ফুটবলে খরায় থাকা ইস্কো। একটি করে গোল এসেছে ডিয়েগো কস্তা, থিয়াগো আলকান্তারা ও ইয়াগো আসপাসের থেকে।
মঙ্গলবার রাতে জার্মানিকে ১-০ গোলে হারিয়ে গত বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে বিধ্বস্ত হওয়ার ক্ষতে প্রলেপ দিয়েছে ব্রাজিল। সেই রাতেই ইউরোপের আরেক মাঠ ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানে হোর্হে সাম্পাওলির দলকে নিয়ে ছেলেখেলা করল স্পেন।
মেসির পাশাপাশি ছিলেন না সার্জিও আগুয়েরো ও অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া। সমস্যা চোট। সুযোগে আর্জেন্টিনার রক্ষণকে প্রথম ধাক্কাটা দেন ডিয়েগো কস্তা। মার্কো আসেনসিওর আলতো পাসে ফ্লিক করে অতিথিদের হতাশার সূচনাটা করেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের ২৭ মিনিটে পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন ইস্কো। ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খরায় ছিলেন। খরা কাটালেন দুর্দান্ত গোলেই। আরও একবার বলের যোগানদাতা তার ক্লাব সতীর্থ আসেনসিও।
আর্জেন্টিনার হয়ে ৩৯ মিনিটে ব্যবধান কমান নিকোলাস ওটামেন্ডি। ম্যানসিটি ডিফেন্ডারের গোলে খানিকটা স্বস্তি নিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

কিন্তু বিরতির পরের ৪৫ মিনিটে সেই স্বস্তি উবে গেছে। এই অর্ধটা ভুলে যেতেই চাইবে আর্জেন্টিনা। ৫২ মিনিটে ইয়াগো আসপাসের পাসে নিজের জোড়া গোলের সঙ্গে দলের ব্যবধান ৩-১ করেন ইস্কো। তিন মিনিট পরে আলকান্তারার গোল ম্যাচ থেকে ছিটকেই দেয় আলবিসেলেস্তেদের।
আর্জেন্টিনার হতাশা আরও বাড়িয়েছে ৭৩ মিনিটে ইয়াগো আসপাসের গোল। ততক্ষণে মনোবল হারিয়ে লড়ার শক্তিই শেষ আর্জেন্টিনার! তার এক মিনিট পর ইস্কো যখন হ্যাটট্রিক পূর্ণ করলেন, অতিথি ডিফেন্ডাররা যেন দ্রুত ম্যাচ শেষের অপেক্ষায়।
ম্যাচ অবশেষে শেষ হয়েছে। কিন্তু হোর্হে সাম্পাওলির দলের জন্য অশনি সংকেত হয়ে রইল সেই ম্যাচ। মেসি ছাড়া কতটা ছন্নছাড়া দুবারের বিশ্বসেরা দলটি, তারই বড় উদাহরণ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল গত ১৮ ম্যাচে না হারা স্পেন।







