চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আবাহনীর তিনে তিন

বৃষ্টির কারণে ১১ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আবাহনীকে ১০২ রানের লক্ষ্য দিয়েও লড়াই জমাতে পারেনি বাদ্রার্স। মিরপুরে বাজে বোলিং ও ক্যাচ মিসের মাশুল দিতে হয়েছে দলটিকে। নাঈম শেখ ও মুশফিকুর রহিমের অপরাজিত ইনিংসে ৭ বল হাতেই রেখে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে ম্যাচ শেষ করে আবাহনী।

টানা তিন জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই থাকল আবাহনী। আকাশী-নীল শিবিরের অধিনায়ক মুশফিক ৩৭ ও নাঈম ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে ৯.৫ ওভারে জয় এনে দেন দলকে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ওপেনিংয়ে নাঈমের সঙ্গী মুনিম শাহরিয়ার ১২ বলে ২৪ রান করে হাবিবুর রহমান জনির বলে বোল্ড হন। আবাহনীর রান তখন ৩.৩ ওভারে ৩৮। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৯ উইকেটে ম্যাজ জেতে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

ব্যক্তিগত ১৭ রানে মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ তুললেও জীবন পান মুশফিক। আলাউদ্দিন বাবু ছাড়েন ক্যাচ। পরে মুশফিক রান তোলে আরও দ্রুতগতিতে। তাতেই মেলে অনায়াস জয়। মি. ডিপেন্ডেবল ২১ বলের ইনিংসে চার মারেন ছয়টি।

বিজ্ঞাপন

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ব্রাদার্স শুরুতে ধুঁকলেও শেষ ৩ ওভারে ৫১ রান তুলে লড়াকু সংগ্রহ পায়। ১১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জমা করে ১০১ রান।

আলাউদ্দিন বাবু ১০ বলে ২৪ ও জাহিদুজ্জামান ১০ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

আলাউদ্দিনের ব্যাটে আসা তিনটি ছক্কাই ছিল বিশাল বড়। বল আছড়ে পড়ে যায় শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের আপনার স্ট্যান্ডে। এই পেস অলরাউন্ডার চার মারেন একটি। জাহিদুজ্জামান দুটি করে চার-ছক্কায় সাজান আগ্রাসী ইনিংসটি।

ব্রাদার্সের দুই ওপেনার মিজানুর রহমান ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর ব্যাট থেকে আসে সমান ২০ রান।

প্রথম টি-টুয়েন্টি খেলতে নামা তানজিম হাসান সাকিব একাই নেন তিনটি উইকেট। দুটি উইকেট নিয়েছেন আরাফাত সানি।

বিজ্ঞাপন