চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আঠারোর আগেই ফাতির দাম ৪’শ মিলিয়ন

বার্সার সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি

রোনাল্ড কোম্যানের হাত ধরে বার্সেলোনার মূল দলে আনুষ্ঠানিক পথ চলা শুরু হয়েছে হইচই ফেলে দেওয়া টিনেজ সেনশন আনসু ফাতি। প্রথম ম্যাচেই ১৭ বছর বয়সী স্প্যানিশ স্ট্রাইকার বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন তাকে ন্যু ক্যাম্পে লিওনেল মেসির যোগ্য উত্তরসূরী ভাবা হচ্ছে। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে জোড়া গোলের পর বার্সা সমর্থকদের আগ্রহের কেন্দ্রে উঠে এসেছেন এখনো তারুণ্যে পা না দেয়া এই কিশোর ফুটবলার।

বিজ্ঞাপন

ফাতি নিজেও বুঝতে পারছেন, তাকে নিয়ে হইচই হচ্ছেই। তাই সুযোগটা দ্রুতই কাজে লাগানোর অপেক্ষায় বার্সার ভবিষ্যৎ। ন্যু ক্যাম্পে নিজেকে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ক্লাবের কাছ থেকে মোটা অংকের পারিশ্রমিক চাওয়ার অপেক্ষায় তিনি। বার্সাও হয়তো না করবে না। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৮ বছর পূরণ হলেই শত কোটিপতি হতে চলেছেন ফাতি।

বিজ্ঞাপন

মূল দলে জায়গা দেওয়ার আগে ফাতির সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে বার্সা। চুক্তির মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত। বার্সা কর্মকর্তাদের ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও এর বেশি মেয়াদ বাড়ানো যায়নি। তাই আপাতত দুই বছরের চুক্তির সঙ্গে ৪০০ মিলিয়ন ইউরো রিলিজ ক্লজ বেঁধে দিয়ে আপাতত শান্তি খোঁজার চেষ্টা কাতালান ক্লাবটির।

ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী ফুটবলারের সঙ্গে দুই বছরের বেশি চুক্তি করতে পারে না কোনো ক্লাব। তাই ফাতির সঙ্গে ২০২২ পর্যন্ত চুক্তি এখন বার্সার মাথা ব্যথার কারণ। সুযোগটা নিচ্ছেন তরুণ স্ট্রাইকার। চাইছেন ১৮ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন এক চুক্তি যাতে থাকবে লোভনীয় সব সুযোগ। সব ঠিক থাকলে আগামী মৌসুমে ফাতির সঙ্গে আবারও বসবে বার্সা, দেওয়া হবে বছরে ১ কোটি ইউরোর প্রস্তাব!

ফাতির দিকে এখনই নজর পড়েছে বড় বড় ক্লাবগুলোর। অল্প বয়সেই পরিণত এক স্ট্রাইকারের গুণ সম্পন্ন স্প্যানিশকে ইতিমধ্যে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কিনে নেওয়ার প্রস্তাব করেছে এক ক্লাব। বার্সা যথারীতি সেই প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছে। আপাতত প্রস্তাব এড়িয়ে গেলেও বেড়েছে চাপ। কাতালান ক্লাবটিও বুঝতে পেরেছে, ভালো বেতনে আটকে রাখা সম্ভব না হলে যেকোনো সময় অন্য ক্লাবের হয়ে যেতে পারেন ফাতি।

ফাতির নিজেরও চাপ আছে। ২০২১ সালের ক্লাব প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পাল্টে যেতে পারে গতিপথ। নতুন প্রেসিডেন্ট যে আসছেনই তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তো নতুন বার্সা প্রধান এসে সিদ্ধান্ত নেবেন, ফাতিকে ন্যু ক্যাম্পে ধরে রাখা হবে নাকি ছেড়ে দেওয়া হবে। আর সেই অনুযায়ী হতে পারে নতুন চুক্তি। তাই সু্যোগ থাকতেই নিজের চাহিদাটা পুরাতন বোর্ডকে জানিয়ে রাখতে চান তিনি। যদি হিসেবে না মিলে তাহলে ২০২২ সালের জানুয়ারীতে জানিয়ে দেবেন তার আসল সিদ্ধান্ত। সেটা বার্সার পক্ষেও যেতে পারে আবার বিপক্ষেও!