চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আইপিএলে খরচ কমাতে ভিন্ন পথে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা

যেকরেই হোক ২০২০ সালে আইপিএল আয়োজন করতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এমন ঘোষণা ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য সুসংবাদ। আয়োজনের পাশাপাশি আছে বাড়তি কিছু খরচও, সেসব খরচ কীভাবে কমানো যায় এখন তা নিয়েই চিন্তা বোর্ডের।

মূলত ভেন্যু ক্যাপাসিটি অনুযায়ী সাতটি হোম ম্যাচ থেকে টিকিট বিক্রি করে ১৫-২০ কোটি রুপি আয় হয় একেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির। করোনাভাইরাসের কারণে যে আয় থেকে এবার বঞ্চিত হবে দলগুলি। কারণ খেলা দর্শকশূন্য মাঠে আয়োজনের পরিকল্পনা বিসিসিআইয়ের।

বিজ্ঞাপন

পৃষ্ঠপোষকদের থেকে একেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির আয় ৩০-৪০ কোটি রুপি। সেই আয় থেকে অবশ্য দলগুলোকে বঞ্চিত করা হবে না। সম্প্রচারসূত্র থেকে নিশ্চিত ২২০ কোটি রুপি ও বার্ষিক ১৩০-১৪০ কোটি রুপি আয় তো আছেই সঙ্গে!

বিজ্ঞাপন

এর বাইরে খেলোয়াড়দের বেতন, ভ্রমণ ও হোটেল ভাড়া বহনের দায়িত্ব ফ্র্যাঞ্জাইজি মালিকদের। আছে বিপণন খরচও। সব মিলিয়ে বেশ ভালো পরিমাণ অর্থই খরচ হয় দলের মালিকদের।

এবার যেহেতু টিকিট বিক্রির আয় নেই, দর্শক মাঠে আসার ব্যাপারও নেই, তাই বিপণন খরচ করতে আগ্রহী নয় ফ্র্যাঞ্জাইজিগুলো, ‘আমাদের প্রচার ও বিপণনের পেছনে বছরে ৮-১০ কোটি রুপি খরচ হয়। যেহেতু আমরা খেলোয়াড়দের বেতন, হোটেল ভাড়া ও ভ্রমণ খরচ কমাতে পারছি না, তাই বিপণন খরচগুলো আমাদের কমাতে হবে।’

‘এটা সম্ভব, যদি আমরা একটু ধীরে ধীরে এগোই। আর কোনো প্রচার-প্রচারণা না করি। টিকিট বিক্রির আয় যেহেতু একদম শূন্য, আমরা নিশ্চিত নই পৃষ্ঠপোষকরা তাদের কথা রক্ষা করবে কিনা।’ এমন বলেছেন একজন ফ্র্যাঞ্জাইজি কর্মকর্তা।

‘এভাবে চলতে থাকলে হয়তো আমাদের অপারেশনে সরাসরি প্রভাব পড়বে না, কিন্তু আইপিএলের সময় আমাদের অনেক মানুষকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। সুতরাং যদি আয় পড়েই যায়, তাহলে আমাদের এই দিকটাও লক্ষ্য রাখতে হবে। সেবার দিকেও খরচ কমাতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে আয় তো কমবেই।’