রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বঞ্চিত ১৯ জমজ শিশুকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
জমজ শিশুর অভিভাবকদের পক্ষ থেকে করা এক রিটের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
আজ শুনানিতে রিটের পক্ষের আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘জমজ শিশুদের সুস্থ মানসিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য একসঙ্গে থাকা খুবই জরুরি। কারণ, তাদের চাওয়া পাওয়া প্রায় একইরকম। আমার নিজেরও জমজ বাচ্চা আছে। আমি দেখেছি, তাদেরকে যদি আলাদা কিছু দেওয়া হয় বা আলাদা পরিবেশে রাখা হয়, তারা এক ধরনের মানসিক সমস্যায় ভোগে। তাদের মধ্যে খারাপ প্রভাব পড়ে। আদালত আমার শুনানিতে সন্তুষ্ট হয়ে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বঞ্চিত ১৯ জমজ শিশুকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।’
রিটের বিষয়ে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন ‘২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য যারা আবেদন করেছিলেন তাদের মধ্যে ১৯ জমজ শিশু ছিল। পরবর্তীতে এই জমজ শিশুদের মধ্যে থেকে একজন করে ভর্তির সুযোগ পায় আর একজন করে ভর্তি বঞ্চিত হয়। এরপর ভিকারুননিসা স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করা হয় যাতে ১৯ জমজ শিশুর দুজনকেই ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়। কিন্তু এবিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় জমজ শিশুদের অভিভাবকদেরর পক্ষ থেকে রিট করা হয়। সে রিটের শুনানি নয়ে আজ আদেশ দিলেন হাইকোর্ট।’








