রাজধানীর খাবার হোটেলগুলোতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী স্কোর ভিত্তিক স্টিকার সিস্টেম চালু করতে চলেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। মান অনুসারে লাল, হলুদ এবং সবুজ স্টিকার লাগানো হবে প্রতিটি হোটেলের প্রবেশ পথে।
ফেসবুকে এক পোস্টে এমনটি জানিয়েছেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য এবং যুগ্ম সচিব মাহবুব কবির মিলন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন,
“আগামী ২ এপ্রিল সকালে মতিঝিলের একটি হোটেলে আমাদের কার্যক্রম উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে খাবার হোটেল নিয়ে আমাদের ফুড সেফটি গ্রিন জোন প্রতিষ্টা। দিলখুশা মতিঝিল পল্টন তোপখানার মোড় সহ প্রায় শতাধিক হোটেল রেস্তোরায় প্রথম পর্যায় এটি হবে আমাদের পাইলট প্রজেক্ট।
আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী স্কোর বেজড স্টীকার সিস্টেম প্রবর্তন করা হবে। লাল, হলুদ এবং সবুজ স্টিকার লাগানো হবে প্রতিটি হোটেলের প্রবেশ পথে। যা দেয়া হবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে। নিয়মিত ক্লোজ মনিটর করা হবে। সব চেয়ে ভাল হোটেলে ঝুলবে সবুজ স্টিকার। ওয়েব পেজে স্টিকারের ধরণ অনুযায়ী হোটেলের তালিকা দেয়া হবে। যা রেগুলার আপডেট থাকবে।
এরপর ঢাকা শহরের অন্য এলাকা এবং পর্যায়ক্রমে সারা বাংলাদেশ। 
প্রায় তিন বছরের অধিক লেগে ছিলাম কৃষি দপ্তরে, যাতে দেশের কোন একটি এলাকায় একটি পাইলট প্রকল্প নেয়া হয়। যেখানে ফসলে কীটনাশক স্প্রে করে প্রিহারভেস্ট ইন্টারভেল মেনে চলা হবে, অর্থাৎ স্প্রে করেই যাতে ফসল বাজারে তোলা না হয়। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, কৃষি কর্মকর্তার প্রেসক্রিপশন ছাড়া কীটনাশক বিক্রি না করা। কারণ বেশি কমিশন বা লাভের আশায় কীটনাশক বিক্রেতারা ভুলভাল বুঝিয়ে একাধিক কীটনাশক গছিয়ে দেয় কৃষকের হাতে। বেড়ে যাচ্ছে কীটনাশকের যথেচ্ছা ব্যবহার। ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ এবং মানব স্বাস্থ্য। সারা বিশ্বে এগুলো কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। এটি সফল হলে তা ছড়িয়ে দেয়া হবে সারা দেশে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ হতে অনুরোধ জানিয়ে পত্র দেয়া হয়েছিল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে। অবশেষে তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাইলট প্রকল্প হিসেবে একটি ইউনিয়নে তা চালু করা হবে। আমরা বলেছি, সেখানে সব ধরণের সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল ট্রেনে খাবার মান উন্নত ও ক্রেতাকে খাবার রশিদ দেয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
এসব হবে আমাদের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ”






