ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, তৃণমূলের লক্ষ্যই হল হিন্দু ভোটকে বিভাজন ঘটিয়ে বিজেপিকে হারানো। বিষয়টি কমিশনের খতিয়ে দেখা উচিত। আজ উত্তরপ্রদেশের কানপুরের জনসভায় তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বলেন করেন মোদি।
গোয়া ও উত্তরপ্রদেশে চলমান বিধান সভা নির্বাচনে মানুষকে তৃণমূলের প্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার পরামর্শ দেন নরেন্দ্র মোদি। দুই রাজ্যেই ভোট চলছে। ভোট কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তাপও বাড়ছে।
গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বক্তব্যের সমালোচনা করে নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন: গোয়ায় এখন ভোট চলছে। কিন্তু আমি গোয়ার ভোটারদের জানাতে চাই যে প্রথম বার লড়তে আসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এক নেত্রী সেখানে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণ হিসাবে জানিয়েছেন, হিন্দু ভোটকে ভাগ করতেই তাঁরা লড়াইয়ে নেমেছেন। তৃণমূল ওই রাজ্যে মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টির সঙ্গে জোট করেছে।
আনন্দবাজার’র অনলাইন প্রতিবেদনে বিজেপির অভিযোগের বরাতে বলা হয়, ওই রাজ্যেই হিন্দু ভোট মূলত তাদের দল অথবা গোমন্তক দল পেয়ে থাকে। কিন্তু এ যাত্রায় ওই ভোটব্যাঙ্কে ভাগ বসাতেই গোমন্তক দলের শরিক তারা হয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন মহুয়া। যাতে তৃতীয় দল হিসাবে হিন্দু ভোটে ভাগ বসাতে পারে তৃণমূল।
এ প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন: গেরুয়া সাহেবরা নিজেদের পছন্দ মতো সত্যকে পাল্টাতে ওস্তাদ। তবে আমি খুশি যে এমন ম্যাড়ম্যাড়ে ভ্যালেন্টাইন দিবসে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর ট্রোল-সেনাকে উত্তেজিত করার জন্য কিছু বিষয় দিতে পেরেছি।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তৃণমূলের সমালোচনা করে বলেন, বাংলা থেকে ব্যক্তিরা এসে এ রাজ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। সে কারণেই রাজ্যের মানুষদের সতর্ক করার প্রয়োজন ছিল। কারণ রাজ্যের মানুষ যে নিরাপত্তা, সম্মান পাচ্ছেন তা নষ্ট করতেই বাইরে থেকে লোক আসছে।







