শুষ্ক মৌসুমে মাছ ধরার চাই বানিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখছেন হবিগঞ্জের গুঙ্গিয়াজুড়ি হাওরের জেলেপাড়ার নারীরা। দিন-রাত কর্মযজ্ঞে মেতেছেন তারা। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাজটি করতে তাদেরকে ঋণ সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে সরকার।
হবিগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে নবীগঞ্জ উপজেলায় গুঙ্গিয়াজুড়ি হাওরের শংকরপুর গ্রাম। দিনের বেলায় হাওরের সবুজ বেষ্টিত প্রান্তর পেরিয়ে রাতের বেলায় শংকরপুর গ্রামের জেলেপাড়ায় ঢুকতেই অন্যচিত্র।
সোলারের আলোয় আলোকিত রাতের জেলেপাড়ার বাড়ি-ঘর। তার চেয়েও বেশি আলো ছড়াচ্ছেন ঘরের নারীরা। উৎসবের আবহে মাছ ধরার চাই বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
ওই গ্রামের মহিলারা বলেন, এ আলোর ফলে আমরা রাত এগারোটা বারোটা পর্যন্ত কাজ করতে পারি।
সংগ্রামী এই নারীরা জানালেন, অল্প সুদে ঋণ সহায়তা পেলে এই কাজে এগিয়ে যেতে পারতেন আরো অনেক বেশি। আরেক জন নারী বলেন, ব্যবসা করতে গেলে তো টাকার দরকার আমরা টাকার অভাবে কিছু করতে পারি না।
তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছে সমবায় অধিদপ্তর। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হাসনা হেনা বলেন, মহিলারা তাদের সংসারের কাজের পাশাপাশি এই কাজ করলে সংসারের উন্নয়ন ঘটাতে পারবে। আমরা চেষ্টা করছি ওনারা খুব তাড়াতাড়ি ঋণটা পেয়ে যাবেন এবং এই ঋণের মাধ্যমে ওনার আরো অনেক কাজ করতে পারবেন।
উদ্যোগী হয়েছেন জনপ্রতিনিধিরাও। এই আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট কেয়া চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের কাছ থেকে আমি অল্প কিছু অর্থ সহায়তা করেছি। সরকার যদি তাদের কাছে আরো সহোযোগিতা নিয়ে আসতে পারেন তাহলে আমরা তাদেরকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারবো।
তিনি আরো বলেন, সুখের কথা হলো এই যে, আমাদের সরকার তাদের বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ দেওয়াচ্ছেন সেই সাথে আমরা বিভিন্নপ্রশিক্ষণের মাধ্যমে সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করেছি। মেয়েরা বিভিন্ন ধরণের ঋণ সহায়থা নেওয়ার জন্য দক্ষতা অর্জন করেছে।






