ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে রীতিমতো চমক দেখিয়েই কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত এসেছিল রাশিয়া। শেষ আটে উঠে আসার আগে দলটি বিদায় করেছে স্পেনের মতো জায়ান্ট দলকে। পরে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে সেমির আগেই শেষ হয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশের বিশ্বকাপ মিশন।
স্বাগতিকদের সেই সাফল্য নিয়ে উঠে গেছে প্রশ্ন। সুডাইসচে জেইটাং নামের একটি জার্মান পত্রিকার দাবি, স্পেন ও ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের আগে নাকে অ্যামোনিয়া শুঁকে মাঠে নেমেছেন রাশিয়ান ফুটবলাররা!
ফিফার আইনে অ্যামোনিয়া নাকে শুঁকে মাঠে নামা খুব একটা ক্ষতিকারক নয় ফুটবলারদের জন্য। তাই অ্যামোনিয়াকে নিষিদ্ধ ড্রাগের তালিকায় ফেলেনি সংস্থাটি।
কিন্তু সুডাইসচের দাবি অক্সিজেনের মাধ্যমে দেহে মিশে গিয়ে রক্তে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে অ্যামোনিয়া। তাতে বাড়তি শক্তি পান খেলোয়াড়রা। ফিফার অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে সেটিই কাজে লাগিয়েছে রাশিয়া ফুটবল ফেডারেশন। যা এক অর্থে ডোপিং।
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ডোপ নেয়ার অভিযোগ অনেকদিন ধরেই ঝুলে আছে রাশান অ্যাথলেটদের ঘাড়ে। চলতি বছরেই ডোপ নেয়ার অভিযোগে সিউলে শীতকালীন অলিম্পিক থেকে ২৮ রাশিয়ান অ্যাথলেটকে নিষিদ্ধ করেছিল আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। ফুটবলারদের ওপরে একই অভিযোগ থাকলেও ফিফা তা খারিজ করে দেয় ডোপ টেস্ট করে।
কেবলমাত্র সুডাইসচেই নয়, আরেক জার্মান ট্যাবলয়েড ‘বিল্ড’ও দাবি করেছে মাঠে অ্যামোনিয়া নিয়েছেন রাশান ফুটবলাররা। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে মাঠে নামার আগে নাক ঘষতে দেখা যায় কয়েকজন ফুটবলারকে। বিল্ড বলছে, তুলায় করে অ্যামোনিয়া নাকে নিয়েছিলেন বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশের ফুটবলাররা।








