বলা হচ্ছে ইয়ান বোথামের হেডিংলি ১৯৮১, অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফের ২০০৫ এজবাস্টনের পর বেন স্টোকসের ২০১৯ হেডিংলি। অ্যাশেজ ইতিহাসে অমরত্বের তকমা লেগে যাওয়া স্টোকসের ইনিংসের সঙ্গে সিরিজ জেতার অসামান্য স্বপ্ন দেখাও শুরু। ইংল্যান্ড ক্রিকেটের আলোচনায় ঢুকে পড়া পুরোনো দুটি ইনিংসও একইরকম প্রভাব ফেলেছিল অ্যাশেজে।
যাকে নিয়ে আলোচনা, সেই স্টোকসের ব্যাটিং দেখে অবাক সকলে, এমনকি তার সতীর্থরাও। হাফসেঞ্চুরি, সেঞ্চুরি পেরিয়েও যিনি ব্যাট তোলেননি। কারণ, জানতেন তার কাজটা আরও গুরুত্বপূর্ণ। নিজের ব্যক্তিগত মাইলস্টোনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ছয় সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার দলকে প্রায় একা হাতে জেতানোর কৃতিত্ব এখন তার নামের পাশে। প্রথমটি ছিল বিশ্বকাপ ফাইনালে।
স্টোকসের কাছে সবাই জানতে চেয়েছিলেন বল হাতে টানা বোলিং, তারপর টেল এন্ডারদের নিয়ে ম্যাচ জেতানোর রহস্য কী? নির্বিকার মুখে স্টোকসের জবাব, ‘আগের রাতে আমার স্ত্রী-বাচ্চারা হোটেলে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। আমার ঘরে এসে ওরা দেখে বক্সার পরে বসে আমি পাস্তা খাচ্ছি। হয়তো ওই পাস্তাই এই সাফল্যের কারণ!’
ডারহামে বসবাস করা স্টোকস ফুটবল ক্লাব নিউক্যাসলের সমর্থক। নিউক্যাসল ম্যানেজার স্টিভ ব্রুস রোববার টটেনহ্যামের বিরুদ্ধে নামার আগে ল্যাপটপে স্টোকসের ব্যাটিং দেখছিলেন। ব্রুস টটেনহ্যামকে হারানোর পর দেখেন স্টোকসও জিতিয়েছেন ইংল্যান্ডকে। বলেন, ‘স্টোকস আমার দলে মিডফিল্ডে খেলুক। সে চাইলে আগামী সপ্তাহেই খেলতে পারে।’
ইংল্যান্ডকে সুপারওভারে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন। এবার প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানে অলআউট হওয়া একটা দলকে ৩৫৯ তাড়া করে টেস্ট জিতিয়েছেন। ইংলিশ ক্রিকেটে এই বছরটাই যেন স্টোকসের।








