মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একশ ৯২ তম জন্মবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে শুক্রবার থেকে যশোরের কেশবপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়িতে বসেছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা।
১৮৭৩ সালের ২৯ জুন কলকাতায় মারা যান মহাকবি মাইকেল মধুসূদন। এরপর কবির ভাইয়ের মেয়ে কবি মানকুমারি বসু ১৮৯০ সালে কবির প্রথম স্মরণসভার আয়োজন করেন সাগরদাঁড়িতে। সেই থেকে শুরু হয় মধু মেলার। এর ধারাবাহিকতায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা প্রশাসন এবারও আয়োজন করেছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার।
মধুসূদন গবেষক বলেন, সাগড়দাড়িতে এই সাস্কৃত এ আয়োজনকে আনতে পারি তাহলে আমাদের এ সাস্কৃতি আরো সমৃদ্ধ হবে।
উৎসব থেকে কবির জন্মস্থানে মধুসূদন সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে কমিটি। এক সাংস্কৃতিক কর্মী বলেন, মাইকেল এ মাটিরই মানুষ। আমাদের দাবি সরকার যেন এখানে একটি কবির নামে বিশ্ববিদ্যালয় করে। আমাদের আশা সরকার সেটা শুনবেন।
এ ব্যাপারে আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্টরা। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, যেটুকু জানা যায় বা যেটুকু শোনা যায় সেটুকু যদি আমরা যত্নের সাথে সংরক্ষণ করি তাহলে মাইকেল সর্ম্পকে অনেক কিছু জানবো।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইসামত আরা সাদেক বলেন, প্রস্তাব করছি যে যশোর বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে নাম করন করা হোক।
তিনি আরো বলেন, এ সাহিত্যিকের বাঙলা সাহিত্যে অনেক অবদান। তার এ অবদানের উপর কাজ করতে একটি গবেষণা সেল প্রতিষ্ঠিত হোক।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত কপোতাক্ষ’র পাড়ে সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে কবির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে, এমন প্রত্যাশা যশোরবাসীর।







