বাংলাদেশের দেয়া ২৬৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিলেন আফগানিস্তানের দুই ওপেনার গুলবাদিন নায়েব ও রহমত শাহ। ১০ ওভারে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৪৮। ক্রিজে আস্তে আস্তে জমে যাচ্ছিলেন দুজন। অস্বস্তি বাড়ছিল বাংলাদেশের।
তারা যখন বাংলাদেশকে চোখ রাঙানি দিচ্ছিলেন, তখনই ত্রাতা সাকিব। ৪৯ রানের জুটি ভেঙে দেন বাঁহাতি স্পিনার। নিজের করা প্রথম ওভারেই সাফল্য এনে দেন টাইগারদের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। পরে হাসমতউল্লাহ শাহিদিকে স্টাম্পিংয়ে ফিরিয়ে দ্বিতীয় সাফল্য আনেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
আফগানিস্তান-৮৭/২ (২৩)
অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন যখন জুটি ভাঙতে পারেননি, তখন বোলিংয়ে আসেন সাকিব। এসেই বাজিমাত। ১১তম ওভারের শেষ বলে সাকিবকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিডঅনে ক্যাচ দেন রহমত শাহ। ব্যক্তিগত ২৪ রানে তামিম ইকবালের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
বল হাতে প্রথম উইকেট নেয়ার আগে ব্যাট হাতেও রান পেয়েছেন সাকিব। টুর্নামেন্টে পঞ্চমবারের মতো ৫০’র বেশি রানের ইনিংস খেলেছেন। তার পাশাপাশি মুশফিকুর রহিমের ৮৩ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৩৫ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ২৬২ রানের পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ।







