সবজি উৎপাদনে বিশাল সাফল্য থাকলেও রপ্তানী বাণিজ্যে এখনও পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। কৃষিতে কম সাফল্য নিয়েও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এগিয়ে যাচ্ছে অনেক দেশ।
এমনকি আমাদের দুর্বলতার সুযোগটুকুও ব্যবহার করছে কেউ কেউ।
২০০৪ সালে বাংলাদেশের সবজি রপ্তানি সম্ভাবনা বন্দী ছিল শুধু এয়ার কার্গোর জায়গার অভাবের কাছে। তার ১০ বছরের মাথায় ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের বৃহৎ হোলসেল মার্কেটের চিত্র বলে, পৃথিবীর সব দেশের পণ্য সেখানে রপ্তানি হয়, বাংলাদেশ ছাড়া। কারণ, পণ্যের গুণগত মান।
এই অভিযোগ কাটিয়ে তুলতে ব্রিটেনের কৃষি ও পরিবেশ সংগঠন ডেফরার সহযোগিতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর একটি কর্মসূচিও গ্রহণ করে।
কিন্তু তারও পাঁচ বছর পর ইংল্যান্ডের সর্ববৃহৎ হোলসেল মার্কেট স্পিটালফিল্ডে গিয়ে দেখা যায় পরিস্থিতির কিছুই পরিবর্তন হয়নি। বরং পণ্য রপ্তানির তালিকায় যোগ হচ্ছে নতুন নতুন দেশ, বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে তিমিরেই।
বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে তৃতীয় স্থান অধিকার করলেও শুধু উন্নত প্যাকেজিং আর কিছু খোঁড়া যুক্তির কাছে হেরে আছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতায়। আর এই সুযোগটি নিচ্ছে অন্যরা। এক শ্রেণির ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় আমাদের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাচ্ছে অন্য দেশের পরিচয়।
করণীয় সম্পর্কে নানা পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ লন্ডন ইমর্পোটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি রফিক হায়দার।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, উদ্যোগটি নেয়া হবে কখন- আর তা কীভাবে?
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








