‘একেএস বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএল সিজন ফোরের গ্রুপ পর্ব শেষ হলো। এবার শেষ চারের লড়াই। দুর্দান্ত সূচনার পরও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড় থেকে ছিটকে পড়েছে রংপুর রাইডার্স।
বিপিএলে এখন পর্যন্ত ঘরোয়া খেলোয়াড়রাই এগিয়ে। বল হাতে অবশ্য দৃষ্টি কেড়েছেন আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী। আর এবারের আসরের অন্যতম আবিষ্কার আফিফ হোসেন ধ্রুব।
শুরুটা বৃষ্টিবিঘ্নিত হলেও পরের সময়টুকু রৌদ্রজ্জ্বল বিপিএল সিজন ফোরের গ্রুপ পর্বের ২৭ দিন।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট এবং চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেটে ঢাকা ডায়নামাইটসের ব্যাটসম্যানদের হাত ধরে এখন পর্যন্ত দলীয় সর্বোচ্চ রান উঠেছে ১৯৪। ২ রান কমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরিশাল বুলসের।
সবচেয়ে বড় ব্যবধান অর্থাৎ ৭৮ রানে বড় জয়ের দেখা পেয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস এবং চিটাগং ভাইকিংস।
এভারেজে ভাইকিংরা এবার সবদিক দিয়েই নিজেদের তুলে ধরেছে। পাঁচ-পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ৪২৫ রান নিয়ে সর্বাধিক রানের তালিকায় সবার ওপরে চিটাগং ওপেনার তামিম ইকবাল। ৩৬৯ রান নিয়ে তালিকার দুই নম্বরে টাইটান্স ক্যাপ্টেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সর্বাধিক ফিফটিও তামিমের। তিনটি করে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন কুমিল্লার মারলন স্যামুয়েলস, রাজশাহী কিংসের মুমিনুল হক এবং বরিশাল বুলসের শাহরিয়ার নাফিস।
এখন পর্যন্ত সিজন ফোরের ‘চার-ছক্কার’ ফেরিওয়ালা, ঘরোয়া ক্রিকেট মাতানো মেহেদী মারুফ। ঢাকা ডায়নামাইটসের জার্সি গায়ে ১৯টি ছক্কা মেরেছেন তিনি। ব্যক্তিগত টোটাল ৩৩২। ১৫ ওভার বাউন্ডারিতে গ্যালারি মাতানো দেশের ক্রিকেটের ‘টি-টুয়েন্টি মাস্টার’ সাব্বির রহমান আছেন দু’নম্বরে। টুর্নামেন্টের একমাত্র সেঞ্চুরিটিও তাঁরই।
ব্যাটিংয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে থাকলেও বোলিং-এর অনেকটাই অতিথিদের দখলে। শীর্ষ পাঁচের তিনজনই বিদেশী। ১৮ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে মোহাম্মদ নবী। সমান উইকেট নিয়ে দুইয়ে আছেন খুলনার শফিউল ইসলাম। আর ১৭ শিকারে তিনে আফিদ্রি।
বিপিএল ভবিষ্যত ক্রিকেটার তৈরীর পাইপলাইন তৈরীর প্লাটফর্ম। সিজন থ্রি’র শুরুতেই আবু হায়দার রনিকে পাওয়া গেলেও এবারের অপেক্ষাটা ছিল বেশ দীর্ঘ। গ্রুপ পর্বের শেষ মুহূর্তে পাঁচ উইকেট নিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়েছেন ১৭ বছর বয়সী তরুণ বোলার আফিফ হোসেন ধ্রুব। পাঁচ উইকেট নেয়া রাজশাহী কিংসের আরেক বোলার আবুল হাসান এবং অন্যজন চিটাগং ভাইকিংসের তাসকিন আহমেদ।
ফাইনালে উঠার জন্য কোয়ালিফায়ার-ওয়ানে খেলবে ঢাকা ডায়নামাইটস এবং খুলনা টাইটান্স। জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে যাবে। হেরে যাওয়া দল অপেক্ষায় থাকবে এলিমিনেটর রাউন্ডে জয়ী দলের জন্য। এলিমিনেটরে চিটাগং ভাইকিংসের মুখোমুখি হবে রাজশাহী কিংস, চ্যানেল আই যার অংশীদার।







