ইতালির মিলানের আজকের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল ম্যাচে স্বপ্নপূরণের মশাল থাকবে রিয়াল মাদ্রিদের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কিংবা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের আঁতোয়ান গ্রিজমানের হাতে।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মদ্রিদের ক্লাবটির প্রাণভোমরা হয়ে আছেন রোনালদো। দুই বছর আগে ২০১৩-১৪ মৌসুমে লিসবনের ফাইনালের আগে ওই আসরে রোনালদোর গোলসংখ্যা ছিল ঠিক এখনকার মতোই ১৬টি।
দলকে দশম বারের মতো ইউরোপ সেরা করার সেই ম্যাচে এক গোল করে রেকর্ডটাকে ১৭তে নিয়ে যান তিনি। ‘গোল মেশিন’ রোনালদোর এ জন্য চাই মাত্র দুটি গোল। ক্যারিয়ারে ৪১ বার হ্যাটট্রিকের আনন্দে মাতা রোনালদোর জন্য এ আর এমন কী কঠিন! 
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরাবরই দারুণ সফল রোনালদো। প্রথম দুই ম্যাচে পাঁচ গোল করে এবারের আসরের শুরুটাও করেন দুর্দান্ত; শাখতার দোনেৎস্কের বিপক্ষে ঘরের মাঠে হ্যাটট্রিকের পর মালমোর মাঠে করেন দুটি। ফিরতি পর্বে শাখতারের মাঠে দুটি ও মালমোর বিপক্ষে ঘরের মাঠে ৪ গোল করে এক মৌসুমে গ্রুপ পর্বে সর্বোচ্চ ১১ গোলের রেকর্ড গড়েন তিন বারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার।
তবে আজকের ফাইনালে রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে পাওয়া যাবে কিনা সেই শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে, যদিও কোচ জিদান জানিয়েছেন সিআরসেভেন পুরোপুরিই ফিট।
লিসবনের ওই ফাইনালের পর ভিসেন্তে কালদেরনে যোগ দিয়েছেন গ্রিজমান। অ্যাটলেটিকোর জার্সিতে প্রাপ্তির খাতায় শুধু স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা। এবার সব অপূর্ণতা দূর হয়ে যেতে পারে মিলান জয়ে। একই সঙ্গে অ্যাটলেটিকোর ক্লাব ইতিহাসে ধরা দেবে প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা।
দলীয় পারফরম্যান্সেই এই রূপকথা, তবে আলাদা করে বলতেই হবে ফরাসি এই ফরোয়ার্ডের কথা। প্রয়োজনের মুহূর্তে অসাধারণ সব গোল করে অ্যাটলেটিকোকে তুলেছেন ফাইনালে।
সেমিফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচটাই জলজ্যান্ত প্রমাণ। চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৭ গোল করা এই গ্রিজমানের দিকে আজও তাকিয়ে সিমিওনির শিষ্যরা।







