কক্সবাজার থেকে: পাকিস্তানকে হারিয়ে পুরো দল যখন উদযাপনে মেতেছে, জয়ের নায়ক খাদিজাতুল কুবরা তখন ম্যাচ রেফারির ছোট্ট কক্ষে। ১৫ মিনিটের শুনানি শেষে বিষণ্ণ চেহারায় বেরিয়ে এলেন ৬ উইকেট নিয়ে ইতিহাসে নাম লেখানো এ অফস্পিনার।
উইকেট পেয়ে মাত্রাতিরিক্ত উদযাপনের কারণে শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছিলেন ২৩ বছর বয়সী কুবরা! শাস্তি না হলেও ক্যারিয়ারে প্রথমবার ম্যাচ রেফারির জেরার মুখে পড়ে হয়ে গিয়েছিলেন ভয়াতুর!
টি-টুয়েন্টি সিরিজের দুটি ম্যাচে একাদশে ছিলেন না কুবরা। শনিবার সিরিজের শেষ ম্যাচে ফিরেই পেয়ে যান উইকেট। সর্বোচ্চ রান করা জাভেরিয়া খানকে আউট করে উদযাপনে ছিলেন বাঁধনহারা। সঙ্গে ছিল আক্রমণাত্মক মেজাজও। যেটি দেখে পাকিস্তান অধিনায়ক ক্রিজে দাঁড়িয়েই ব্যাট উঁচিয়ে বোলারের দিকে তাক করে পাল্টা মেজাজ দেখান।
সোমবার সিরিজের একমাত্র ওয়ানডে ম্যাচেও ব্যাট হাতে দাপট দেখান জাভেরিয়া। দলীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করা এ ব্যাটারকে ঝুলিয়ে দেয়া বলে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন কুবরা। উদযাপন শেষ করে সোজা চলে যান জাভেরিয়ার কাছে। আগের ম্যাচে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন। জাভেরিয়া ব্যাপারটা বুঝতে পেরে কুবরার মাথায় হাত রাখেন।

পরে আরও তিন উইকেট নেন কুবরা। উদযাপনে আক্রমণাত্মক ভাব দেখা গেছে শেষ অবধি। খেলা শেষে ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুল অনানুষ্ঠানিক শুনানিতে ডাকেন কুবরাকে। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ দলের হেড কোচ অঞ্জু জৈন। শেষমেষ ম্যাচ রেফারি ‘সাধারণ ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্যাপারটিকে।
তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচে কী করা যাবে আর যাবে না, সেটি সম্পর্কে অবশ্য ভালো একটি ধারণা নিয়েই ফিরেছেন কুবরা।







