চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৪তম বারের মতো ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখছে স্প্যানিশ
জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। আর আসরে ফাইনাল মঞ্চে প্রথমবারের মতো খেলতে মরিয়া
ম্যানচেস্টার সিটি। তাই মরা-বাঁচার এই ম্যাচে রাতে বার্নাব্যুতে
নামছে দুদল।
কোচিং ক্যারিয়ারের প্রথম মৌসুমেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের স্বপ্নে বিভোর রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান। সেই স্বপ্নপূরণ থেকে মাত্র দুই ধাপ দূরে দাঁড়িয়ে ফরাসি কিংবদন্তি।
তবে জিদানের যেমন শুরু তেমনি সিটি কোচ ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনি। মৌসুম শেষেই আর সিটির ডাগআউটে দাঁড়াবেন না তিনি। তার জায়গা নেবেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে বায়ার্ন মিউনিখ থেকে হতাশার বিদায় নেওয়া পেপ গার্দিওলা। পেপের মতো হতাশা নয়, প্রিমিয়ার লিগ হাতছাড়া হলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে বিদায়টা রঙ্গিন করতে চান চিলিয়ান কোচ।
ম্যাচের আগে বেশ স্বস্তিতে রিয়াল। ঊরুতে চোট পাওয়ায় প্রথম লেগে খেলতে পারেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সুস্থ হয়ে ওঠায় ফিরতি লেগে তার মাঠে নামার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তবে আরেক তারকা করিম বেনজেমাকে নিয়ে শঙ্কা এখনো কাটেনি। চোট থেকে সুস্থ না হয়ে ওঠায় তার খেলার সম্ভাবনা বেশ কম।
সিটি শিবিরেও রয়েছে চোট কাটিয়ে ওঠার স্বস্তি। পায়ে আঘাত পাওয়ায় এর আগে সিটির হয়ে সর্বশেষ দুই ম্যাচ খেলতে পারেননি মিডফিল্ডার ইয়া ইয়া তোরে। তিনি অনুশীলন করেছেন এবং ফিরতি লেগে তার মাঠে নামার ব্যাপারে আশাবাদী সিটি কোচ। তবে সামির নাসরি, ডেভিড সিলভা ও পাবলো জাবালেতা দলের সঙ্গে অনুশীলন করেননি।
ইউরোপিয়ান ক্লাব আসরে সিটির সর্বশেষ সাফল্য ১৯৭০ সালে, সেবার গোরনিক জাবরেজকে হারিয়ে উইনার্স কাপ জিতেছিল ‘সিটিজেন’রা। পরিসংখ্যানও রিয়ালের পক্ষে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে ঘরের মাঠে প্রথম লেগে ড্র করা মোট ২৯টি দলের মধ্যে, উত্তরণ ঘটাতে পেরেছে মাত্র নয়টি দল। এছাড়াও আসরটির চলতি মৌসুমে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচ খেলে কোনো গোল হজম করেনি রিয়াল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের ম্যাচ জয়ে রোনালদো বেশ বড় ‘প্রভাবক’। ২০০৯ সালে রিয়ালে যোগ দেয়ার পর ক্লাবটি এ পর্যন্ত ৮০টি ম্যাচ খেলেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। এর মধ্যে মাত্র সাত ম্যাচ খেলেননি রোনালদো। পর্তুগিজ এ স্ট্রাইকারকে ছাড়া এই আসরে রিয়ালের জয়ের হার মাত্র ৪৩ শতাংশ!
রোনালদো ঘোড়ায় চেপে নিজেদের ১৪তম ফাইনালে উঠতে পারবে রিয়াল। নাকি প্রথমবারের মতো উপচে পড়েব নীল ঢেউ?







