বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ খোয়া যাওয়ার পেছনে দেশী-বিদেশী কার কী ভূমিকা ছিলো, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার দাবি করেছে সিআইডি। ৬ সদস্যের ইন্টরপোল টিমের কম্পিউটার ফরেনসিক পর্যালোচনা শেষ হলে সামগ্রিক বিষয় সমন্বয় করতে শনিবার ইন্টারপোল হেডকোয়ার্টার থেকে ঢাকা আসবে উচ্চ পর্যায়ের আরেকটি দল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে কারিগরিসহ আলামত সংগ্রহেও বিভিন্ন ধরনের সহায়তা নিচ্ছে সিআইডি। তদন্তের এ পর্যায়ে সিআইডির তদন্তদলকে কম্পিউটার ফরেনসিক পর্যালোচনা কাজে সহায়তা দিচ্ছেন দুদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করা ইন্টারপোল সদস্যরা।
সিআইডি’র অতিরিক্তি ডিআইজি মোঃ শাহ আলম বলেন,‘ইন্টারপোল হেডকোয়ার্টার থেকে আলাদা একটা টিম আসবে। তদন্তের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করবো। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির যে ঘটনা এতে বিশ্বের অনেক দেশের অপরাধীদের একটা গমনাগমনের ছাঁপ থেকে গেছে। সেজন্য বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং এ ধরণের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তা নেয়া হবে। এটা ছাড়া আমাদের হাতে কোনো বিকল্পও নেই ‘।
ব্যাংক কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রায় ৮০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্তত ২০ জনের দায়িত্বহীনতার প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। এদের কেউ অর্থ খোয়া যাওয়ার ঘটনায় জড়িত কিনা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
সিআইডি’র অতিরিক্ত ডিআইজি আরও বলেন,‘আমরা সামগ্রিক বিষয়টি পর্যালোচনা করবো। দ্রুততর সময়ে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহে তাদের সহায়তা পাওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এখন ৬ সদস্যের যে টিমটি কাজ করছে তারা কম্পিউটার ফরেনসিক এনালাইসিসের কাজটি করছেন। সিআইডি’র ফরেনসিক টিমও তাদেরকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে ‘।
আন্তর্জাতিক সংস্থার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে টেলি-কনফারেন্স করে তথ্য উপাত্ত এবং দালিলিক কিছু প্রমাণও সংগ্রহ করেছে সিআইডি।








