শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের চাপানো রানের বোঝা মাথায় নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ ‘এ’ শুরুতেই খেয়েছিল হোঁচট। অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন ও সাব্বির রহমানের সেঞ্চুরিতে পরে দারুণভাবে লড়াইয়ে ফিরেছে স্বাগতিকরা। চট্টগ্রামে সফরকারীদের ৪৪৯ রানের জবাবে টাইগাররা ৪ উইকেটে ৩৬০ রানে তৃতীয় দিন শেষ করেছে।
সাব্বির ১৪৪ রানে অপরাজিত আছেন। মোসাদ্দেক ১৩৫ করে সাজঘরে ফিরে যান। চতুর্থ উইকেটে দুজনে যোগ করেছেন ২০৯ রান।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মোসাদ্দেকের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি এটি। আগেরটি সাউথ জোনের হয়ে চলতি বছরের এপ্রিলে। রাজশাহীতে বিসিএলের সবশেষ রাউন্ডে সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন এ ডানহাতি।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মোসাদ্দেকের দশম সেঞ্চুরির ইনিসংটি সাজানো ২৪৩ বলে, ৯টি চার ও ৩ ছক্কায়।
সাব্বিরের চতুর্থ সেঞ্চুরির ইনিংসে ১৩টি চার ও দুটি ছক্কার মার। খেলেছেন ২৫৭ বল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটিই তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। আগের সর্বোচ্চ ১৩৬ রান। শুক্রবার ম্যাচের শেষদিনে প্রথমবার দেড়শ ছোঁয়ার লক্ষ্য নিয়ে নামবেন এ তরুণ। আরেক তরুণ জাকির হাসান অপরাজিত আছেন ২৭ রানে।

বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথমদিনে লঙ্কানরা তুলেছিল ৪ উইকেটে ১৭১ রান। সেখান থেকে রানপাহাড় গড়ে থিরিমান্নের ক্যারিয়ারসেরা ১৬৮, আশালঙ্কার ৯০ ও আসান শাম্মুর ৭০ রানে। ৮ উইকেট পড়ার পর ইনিংস ঘোষণা করে সফরকারীরা।
দুই উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান তোলার পর দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনের সকালেই ঘরোয়া ক্রিকেটের রানমেশিন তুষার ইমরানের উইকেট হারায়। ১২ রানে অপরাজিত থেকে দিন শুরু করা তুষার ২৫ রানে লাকসান সান্দাকানের বলে এলবিডব্লিউ হন।
৮ রান নিয়ে শুরু করা ‘এ’ দলের অধিনায়ক মোসাদ্দেক প্রত্যায়ী থেকে খেলে যান সাবলীল ঢংয়ে। ১৩৫ করার পর বোল্ড হন প্রবথ জয়সুরিয়ার বলে।
আগেরদিন বিকেলে সৌম্য সরকার ২১ ও সাদমান ইসলাম ১ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়া মোসাদ্দেক ও সাব্বিরের প্রতিরোধে ড্রয়ের দিকে যাচ্ছে সিরিজের প্রথম চারদিনের ম্যাচটি।








