সমুদ্র থেকে উদ্ধার ২০৮ অভিবাসীর নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করতে মিয়ানমার যায়নি বাংলাদেশের ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল। উদ্ধার হওয়া ওই ২০৮ জন অভিবাসী মিয়ানমার নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। উদ্ধার সকলেই বাংলাদেশী দাবি করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর কথা বলেছে মিয়ানমার। কিন্তু যাচাই-বাছাই ছাড়া তাদের ফেরত আনতে রাজি নয় বাংলাদেশ।
মিয়ানমার যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল সকাল ৯টায় টেকনাফ স্থল বন্দর জেটি ঘাটে পৌঁছে। প্রায় ৭ ঘন্টা অপেক্ষা করলেও প্রতিনিধিদল কেনো মিয়ানমার যায়নি সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানায়নি বিজিবি।
বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. খালেকুজ্জামান চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, বিকালে সাড়ে চারটায় মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ২০০ জনের একটি তালিকা তারা হাতে পেয়েছেন। তবে ওই তালিকা অসম্পূর্ণ। তালিকায় সকলকে বাংলাদেশী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও প্রমাণ নেই।
তিনি জানান, তালিকাটি বিজিবি সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
টেকনাফে ৪২ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী জানান, গত শুক্রবার বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার জলসীমানায় মালয়েশিয়াগামী ২০৮ জনকে উদ্ধার করে মিয়ানমারের নৌবাহিনী। তাদের মধ্যে ২০০ জন বাংলাদেশী নাগরিক বলে দাবি করছে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)।
ওই ২০০ জনের তালিকা বিজিবি’র কাছে পাঠানো হলে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. খালেকুজ্জামানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদলের মিয়ানমার যাওয়ার কথা ছিলো।







