আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন: কথামালার চাতুরী, মিথ্যাচার ও স্টান্টবাজি ছাড়া বিএনপির আর কোনো পুঁজি নেই। বিএনপিও জানে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে তাদের পরিণতি মুসলিম লীগের চেয়েও করুণ হবে। তাই দল বাচাঁতে তাদেরকে অবশ্যই নির্বাচনে আসতে হবে।
সোমবার সকালে কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ ও নগদ টাকা গ্রহণকালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে বর্তমানে কক্সবাজারে খুবই অস্বস্থিকর অবস্থা তৈরি হয়েছে। কক্সবাজারের অর্থনীতি, পরিবেশ, পর্যটন ও প্রকৃতির উপর প্রচণ্ড চাপ বেড়েছে। ছোট এই শহরটিতে দীর্ঘদিন রোহিঙ্গাদের চাপ সহ্য করা সম্ভব নয়। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব না হলে রোহিঙ্গাদের কিছু অংশকে ভাসানচরে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করবে সরকার।
তিনি বলেন, যেসব দেশ রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতিশীল তারাও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারেন। বাংলাদেশকে ৩ দফায় বন্যা মোকাবিলা করতে হয়েছে। তার উপর রোহিঙ্গা সমস্যাসহ নানা কারণে অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে। তাই চাপ কমাতে বিকল্প চিন্তা করছে সরকার।
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ চুক্তির পর থেকে পাহাড়ে শান্তি আসতে শুরু করে। সেখানে ব্যাপাক উন্নয়ন করেছে এ সরকার। এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আশেক উল্লাহ রফিক, আবদুর রহমান বদি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন, জেলা পলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এসময় সামসুল হক চৌধুরী এমপি ২০ লাখ টাকা, একরামুল করিম চৌধুরী এমপি ২০ লাখ টাকা, খন্দকার রুহুল আমিন ১০ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান টাকা হস্তান্তর করেন। এছাড়া এয়ারবেল ডেভেলপমেন্ট এর চেয়ারম্যান আব্দুল কৈয়ুম চৌধুরী ৪ লাখ টাকার ঔষধ সামগ্রীসহ ত্রাণ হস্তান্তর করেন।








