মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মালদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হোয়াট হাউজ সূত্রে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফোনে তাদের মধ্যে মালদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছাড়াও আফগানিস্তান এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা বৃদ্ধি বিষয়ক আলোচনা হয়েছে।
এই বছরের মধ্যে এটাই ট্রাম্পের সাথে মোদির প্রথম ফোনালাপ। মালদ্বীপের রাজনৈতিক সংকট এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইন শাসনের প্রতি শ্রদ্ধার গুরুত্ব সম্পর্কে উভয় নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ।
হোয়াইট হাউস জানায়, গত বৃহস্পতিবার মালদ্বীপের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা বাড়তে থাকলে। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট কারাবন্দী নয়জন রাজনীতিবিদের মুক্তির আদেশ দেন। এবং বলা হয় যে, তাদের বিচারকার্যগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ত্রুটিপূর্ণ।
এদিকে মালদ্বীপের প্রেসেডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন আব্দুল গাইয়ুম সরকার এই রায় বাস্তবায়ন প্রত্যাখ্যান করেছে। এবং মালদ্বীপের রাজধানী মালে থেকে বিক্ষোভের সূচনাকে উস্কে দেওয়া হচ্ছে।
পরে মালদ্বীপের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি আবদুল্লা সাঈদ ও আরেকজন বিচারক আলী হামিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইয়েমিন সরকার দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করেন।
হোয়াট হাউজ থেকে আরও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত দুই দেশ ভারতীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা বিষয়ে বেশ চিন্তিত ।
আফগানিস্তানের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত প্রতিজ্ঞার কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দুর্ভোগ মোকাবেলার উপায়গুলিও তুলে ধরছেন।
এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে। যা দেশটির অর্থনীতিতে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি মিয়ানমার সরকার বাংলাদেশ থেকে তাদের অধিবাসীদের ফেরত নেওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু এই বিষয়ে মার্কিন প্রশাসন বলছে, এখনই রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার সঠিক সময় না।







