নেইমার সান্তোস থেকে বার্সায় এসেছিলেন ২০১৩ সালে। কাতালানদের দলে নাম লিখিয়ে হয়ে ওঠেন অপরিহার্য সদস্য। মেসি-সুয়ারেজকে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী আক্রমণভাগ। চার বছর পর শেষ হতে যাচ্ছে নেইমারের বার্সা অধ্যায়। ২২২ মিলিয়ন ইউরোর রেকর্ড দল-বদলে এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে পেতে বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তির দোরগোড়ায় পিএসজি।
কেমন ছিল নেইমারের বার্সা অধ্যায়? পরিসংখ্যানেই সেটা জেনে নেয়া যাক।
* বার্সেলোনার হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ১০৫টি গোল করেছেন নেইমার। ক্লাবটির হয়ে তার চেয়ে বেশি গোল করা (১৩০টি) একমাত্র ব্রাজিলিয়ান হলেন রিভালদো।
* চার বছরের বার্সা ক্যারিয়ারে শিরোপা ভাগ্যটা নেহাত মন্দ নয় নেইমারের। একটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিসহ জিতেছেন দুইটি লা লিগা এবং তিনটি কোপা ডেল রে শিরোপা। একটি ক্লাব বিশ্বকাপসহ ব্রাজিলিয়ান তারকার বার্সাতে ট্রফি সংখ্যা মোট ৮টি।
* ক্লাব সতীর্থদের দিয়ে ৫৯টি গোলে প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল নেইমারের। ১৬৪টি গোলেও কোনও না কোনও ভাবে ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু মাত্র মেসিকে দিয়েই গোল করিয়েছেন ২২টি।
* প্রতিপক্ষের মাঠগুলোর মধ্যে ভিসেন্তে ক্যালদেরন ছিল সবচেয়ে পছন্দের। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের এই মাঠটিতে গোল করেছেন ৬টি। বার্সার হয়ে প্রথম গোলটিও ছিল এই মাঠেই।
* নেইমারের ৪১টি গোলে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা এসেছে দুই প্রিয় সতীর্থ সুয়ারেজ এবং মেসির কাছ থেকে। ২১টি গোলে অবদান ছিল সুয়ারেজের এবং ২০টিতে মেসির।
* ইউরোপিয়ান ফুটবলের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে গত চার মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হয়েছেন নেইমারই। সংখ্যাটা ৪৩১ বার!
* তাকে দলে পেতে পিএসজির এত উঠে পড়ে লাগার অন্যতম কারণ হতে পারে ক্লাবটির বিপক্ষে নেইমারের পরিসংখ্যান। লিগ ওয়ান জায়ান্টদের বিপক্ষে গোল করেছেন ৭টি। নেইমারের জোড়া গোলেই গত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছিল পিএসজি।
* ২০১৪-১৫ মৌসুমে বার্সার হয়ে করেছিলেন ৩৯টি গোল। সেই মৌসুমেই দ্বিতীয়বারের মত ট্রেবল জেতে বার্সা। ২০১৫-১৬ মৌসুমে গোল সংখ্যা ছিল ৩০টি।
* পেনাল্টি আদায়েও সমান দক্ষ ছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর (১৭টি) পর সবচেয়ে বেশী ১৫টি পেনাল্টি আদায় করেছেন নেইমার।








