পবিত্র হজ পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি সরকার। এবার বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৭শ’৫৮ জনসহ বিশ্বের ২৫ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালন করবেন। হজ পালন করতে সৌদি আরবে আসা মুসল্লদির নিরাপত্তায় নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
হজ সামনে রেখে পবিত্র নগরী মক্কা আল মোকাররমায় এরইমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজিরা আসতে শুরু করেছেন। ৪ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব পৌঁছে প্রথম হজ ফ্লাইট। চলবে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
বাংলাদেশ থেকে ৪শ’৮৩টি হজ এজেন্সি হাজিদের মক্কায় আনার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ৩০টি বেসরকারি হজ এজেন্সি মক্কায় হাজিদের জন্য বাড়ি ভাড়া করতে আসেনি। বাংলাদেশ থেকে কয়েকটি হজ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এসব কারণে হজ ব্যবস্থাপনায় সমস্যা রয়ে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হোটেল ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক বলেন, হজ ব্যবস্থাপনায় সুষ্ঠু নীতিমালা থাকা চায়। কারণ আমরা দেখলাম এহরাম শরীফ থেকে এক বা দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে বাড়ি ভাড়া করা হয়।
হজ পালনের সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছে মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশন। সম্প্রতি সৌদি আরবের মদিনাসহ কয়েকটি প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হাজীদের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হাজিদের চলাচল নিরাপদ করতে ইতোমধ্যেই ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাউকে মক্কায় প্রবেশে নিষিদ্ধ করেছে সৌদি সরকার।
হজ সংক্রান্ত শুরা কমিটির সদস্য ওমর বনি আকবর বলেন, আমরা হাজিদের সুবিধা দিতে সবদিকেই সচেতন আছি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সবকিছু সম্পন্ন করা হবে।
হজ অফিসার মোহাম্মদ মাকসুদর রহমান বলেন, সবাই সম্মিলিতভাবে আমরা হজ ব্যবস্থাপনার কাজ সম্পন্ন করেছি।
হজ যাত্রী পরিবহনে জেদ্দায় বিমান বাংলাদেশ এবং সৌদি এয়ারলাইন্স বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে।
বিমান বাংলাদেশের রিজিউনাল ম্যানেজার মোহাম্মাদ আলি উসমান বলেন, বিমান সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। স্বল্প সময়ে ও সুষ্ঠুভাবে হাজিদের পরিবহনে আমরা সচেষ্ট।








