চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

প্রধান বিচারপতির অভিসংশন চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে বিচারপতি শামসুদ্দিনের চিঠি

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৬:৫৮ পূর্বাহ্ন ১৩, সেপ্টেম্বর ২০১৫
বাংলাদেশ
A A

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার অভিসংশন চেয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।

প্রধান বিচারপতির পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর মধ্যে চারদফা চিঠি চালাচালির পর বিচারপতি চৌধুরী আজ রাষ্ট্রপতির কাছে এই চিঠি লিখেছেন।

আগামী মাসে অবসরে যাবেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী।

তার পেনশন ভাতার প্রক্রিয়া শেষ করতে এর আগেই সকল রায় লিখে দেওয়ার জন্য প্রধান বিচারপতির পক্ষে চিঠি লিখেছিলেন রেজিস্ট্রার জেনারেল। উত্তরে বিচারপতি চৌধুরী জানান, একজন বিচারক তার কর্মজীবনের শেষদিন পর্যন্ত রায় দেন, তাই অবসরে যাওয়ার আগে সকল রায় লেখা সম্ভব নয়।

উদাহরণ হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকসহ অন্য বিচারপতিদের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, অবসরে যাওয়ার কয়েক বছর পরও বিচারকরা রায় লেখা শেষ করেন। এবং এটা বিশ্বজুড়েই সাধারণ চর্চা।

উত্তরে প্রধান বিচারপতির পক্ষে চিঠিতে রেজিস্ট্রার জেনারেল জানান, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী যেহেতু ব্রিটিশ নাগরিক তাই আশংকা যে তিনি রায় না লিখেই বিদেশে চলে যেতে পারেন।

Reneta

এর উত্তরে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী এরকম কথায় দু:খ পাওয়ার কথা জানিয়ে একজন মুক্তিযোদ্ধা বিচারক এবং একাত্তরে শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে রাজাকার বিচারকের নৈতিক মানের কথা তুলে ধরেন।

এমনকি সব চিঠির কপি তিনি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রীর কাছে পাঠান।

প্রথম চিঠিতেই বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী জানান, প্রথা ভেঙ্গে শুধু তাকে এভাবে অধিকার বঞ্চিত করার কারণে তিনি প্রয়োজনে সর্বোচ্চ জায়গায় বিচারপ্রার্থী হবেন

রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো চিঠির হুবহু বিবরণ:
বরাবর,                                                                                               তারিখ: ১৩/০৯/২০১৫ইং
মহামান্য রাষ্ট্রপতি,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
বিষয়: বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি জনাব সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে সংবিধান লংঘন, শপথভঙ্গ এবং অসদাচরণের অভিযোগে অভিশংসন (impeachment) এর আবেদন।
মহামান্য, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপীল বিভাগের বিচারপতি এ,এইচ,এম, শামসুদ্দিন চৌধুরী যথাযথ সম্মানপূর্বক বিনীতভাবে নিম্নরূপ আপনার সমীপে পেশ করিতেছি :
(ক) আমি ও জনাব সুরেন্দ্র কুমার সিন্হা আপনি কর্তৃক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৯৫(১) আর্টিকেল মোতাবেক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হইয়া সংবিধানের ১৪৮, আর্টিকেলের বিধান মোতাবেক এই মর্মে শপথ গ্রহণ করিয়াছি যে, “বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করিব” এবং “ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহিত আচরণ করিব”।
(খ) আমি বিনীতভাবে আপনাকে অবহিত করিতেছি যে, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক হিসাবে আমার সর্বশেষ কর্মদিবস ১৭/০৯/২০১৫ ইং তারিখ। আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয়কে আমার পেনশন কার্য্যক্রম বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসকে নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ করিলে, মাননীয় প্রধান বিচারপতির নির্দেশে রেজিষ্ট্রার জেনারেলের স্বাক্ষরে বিগত ২৫/৮/২০১৫ইং তারিখে আমাকে অবহিত করা হয় যে, “সকল পেন্ডিং রায় না লেখা পর্যন্ত আমার পেনশন কার্য্যক্রম গ্রহন করা যাবে না”। উক্ত পত্রের প্রেক্ষিতে আমি প্রধান বিচারপতি মহোদয় বরাবর বিগত ১/৯/২০১৫ ইং তারিখে এক পত্র প্রেরণ করি যাহাতে উল্রেখ করি যে, “মাননীয় প্রধান বিচারপতির উক্তরূপ আদেশ প্রদান করার কোন আইনগত কর্তৃত্ব নাই এবং অতীতে অবসরে যাওয়া সকল মাননীয় বিচারপতিগণই অবসরে যাওয়ার অনেক পরেও রায় লিখিয়াছেন এবং আমার প্রতি প্রধান বিচারপতি মহোদয়ের আচরণ বৈষম্যমূলক ও বিদ্বেষপূর্ণ”। অতঃপর তিনি রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিগত ২/৯/২০১৫ইং তারিখের পত্রে আমার পেনশন বিষয়ক কার্য্যক্রম শুরু করিবার বিষয়টি আমাকে অবহিত করেন এবং উক্ত পত্রে আমার অবসরে যা্ওয়ার পূর্বে যে সমস্ত মামলার রায় লেখা সম্ভব হইবেনা সে সমস্ত মামলার নথি সংশ্লিষ্ট দফতরে ফেরত প্রদাণের অনুরোধ করেন এবং “বৃটিশ পাসপোর্টধারী হিসাবে মামলার রায় না লিখে বিদেশে চলে যেতে পারি মর্মে “সংশয়” প্রকাশ করেন” যা কল্পনা প্রসূত ও অলীক। উক্ত পত্রের প্রেক্ষিতে ৮/৯/২০১৫ইং তারিখে আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করি যে, ইতিপূর্বে অবসরে যাওয়া কোন বিচারপতিকেই নথি ফেরত দেওয়ার জন্য কখনোই বলা হয়নি, প্রধান বিচারপতি হিসাবে আমার প্রতি তাহার আচরণ বৈষম্য ও জিঘাংসামূলক। তাহার এইরূপ আদেশ আমার স্বাধীন বিচারকার্য্যে হস্তক্ষেপের সামীল ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশর সংবিধান এর ৯৪(৪) আর্টিকেল পরিপন্থী এবং তিনি সংবিধানের ৯৪(৪) আর্টিকেল সুষ্পষ্টভাবে লংঘন করিয়াছেন।
(গ) প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে প্রেরিত ২/৯/২০১৫ইং তারিখের পত্রের প্রেক্ষিতে আমি ৮/৯/২০১৫ইং তারিখে প্রধান বিচারপতিকে একটি পত্র প্রেরণ করি। উক্ত তারিখেই আপীল বিভাগের বেঞ্চ গঠন সংক্রান্ত যে তালিকা প্রকাশিত হয়, সেই তালিকায় দেখিতে পাই যে, আমাকে ৯/৯/২০১৫ ইং তারিখের বেঞ্চ এর বিচারিক কার্য্যক্রম হইতে সরিয়ে দেওয়া হইয়াছে। তারপর হইতে অদ্যাবধি আমাকে কোন বিচারিক বেঞ্চ দেওয়া হয় নাই। উল্লেখ্য যে, ৮/৯/২০১৫ইং তারিখেও আমি বিচারিক বেঞ্চে কর্মরত ছিলাম। আমার প্রতি মাননীয় প্রধান বিচারপতির এইরূপ আচরণ ভয়াবহভাবে বৈষম্যমূলক ও প্রতিহিংসামূলক। ব্যক্তিগত বিরাগের বশবর্তী হইয়া তিনি কর্মরত বিচারক হিসাবে আমাকে বিচারকার্য্য থেকে বঞ্চিত করিয়া অসদাচরণ করিয়াছেন যাহা অভিসংশন (Impeachment) যোগ্য। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৭(৩) Article মোতাবেক প্রধান বিচারপতি কর্মরত বিচারকগণকে নিয়া (Bench) বেঞ্চ গঠন করন। কর্মরত কোন বিচারপতিকেই বিচারিক কার্য্যক্রম হইতে বঞ্চিত করিয়া বেঞ্চ গঠন করিবার অধিকার সংবিধান মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে প্রদান করে নাই। মাননীয় প্রধান বিচারপতি সংবিধান লংঘন করিয়া আমাকে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হইতে বিরত রাখিয়াছেন এবং অদ্যবধি আমার দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন সৃষ্টি করিতেছেন।বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, অনেকগুলি আংশিক শুনানী মামলা, যাহাতে আমি বিচারক ছিলাম তাহা এই সপ্তাহের বিচারিক বেঞ্চে শুনানীর অপেক্ষায় ছিল।
(ঘ) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের প্রথা অনুসারে অবসরে যাওয়া বিচারপতিগণকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি তাঁর ব্যক্তিগত বিরাগের কারণে আমাকে উক্ত বিদায় সংবর্ধনা থেকে বঞ্চিত করিবার উদ্দেশ্য নিয়া সুপ্রীম কোর্টের দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য ও রীতি ভঙ্গ করিয়া বিদায় লগ্নে আমাকে বিচারিক বেঞ্চ হইতে বাদ দিয়াছেন। প্রধান বিচারপতি আমার প্রতি কিভাবে বৈষম্য ও জিঘাংসামূলক আচরণ করিতেছেন তা এই নিয়ম ভঙ্গ থেকেই প্রতিয়মান হয়।
(ঙ) আপীল বিভাগের একজন বিচারপতি হিসাবে আমার প্রতি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি যে বিরাগ ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ করিয়াছেন, তাহা হইতে সুষ্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে, তিনি ন্যায় বিচার করিতে অসমর্থ একজন ব্যক্তি এবং অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী হইয়া্ বিচারকার্য্য সম্পন্ন করিতে পারেন। প্রধান বিচারপতির এইরূপ অন্যায় ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্ত অন্যান্য বিচারপতিদের বিচারিক স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করিতে বাধ্য।
(চ) আমি প্রধান বিচারপতি জনাব সুরেন্দ্র কুমার সিন্হার একজন সহকর্মী। মাননীয় প্রধান বিচারপতি তাহার সহকর্মী বিচারপতি হিসাবে আমার প্রতি বিরাগের বশবর্তী হইয়া যেই সিদ্ধান্ত গ্রহন করিয়াছেন তাহা হইতে প্রতিয়মান হয় যে, তিনি যে কোন মামলায় অনুরাগ ও বিরাগের উর্ধ্বে থাকিয়া বিচারকার্য্য পরিচালনা করিতে অক্ষম। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতির এইরূপ কার্য্যক্রম আইনের রক্ষক হিসাবে তাহার ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার অন্তরায়, অসাংবিধানিক ও সাংবিধানিক শপথভঙ্গ ও গুরুতর misconduct, যাহা অভিশংসন (Impeachment) যোগ্য বিধায় বিষয়টি সহানুভূতির সাথে বিবেচনার জন্য মহামান্যের সমীপে পেশ করিলাম।
অত্র আবেদনের সাথে মাননীয় প্রধান বিচারপতির প্রতি কর্তৃক প্রেরিত বিগত ২৫/৮/২০১৫ইং তারিখ ও ২/৯/২০১৫ ইং তারিখের এবং আমার ১/৯/২০১৫ ও ৮/৯/২০১৫ ইং তারিখের পত্রসমূহ সংযুক্ত করা হইল। আপনার সুস্থ, কর্মময়, দীর্ঘজীবন কামনায়আপনার বিশ্বস্ত, (বিচারপতি এ,এইচ,এম, শামসুদ্দিন চৌধুরী) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, আপিল বিভাগ, ঢাকা।অনুলিপি : (১) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, মাধ্যম মূখ্য সচিব টু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। (২) মাননীয় স্পীকার, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ। (৩) মাননীয় প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশ। (৪) মাননীয় মন্ত্রী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। (৫) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের সকল মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ।

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: প্রধান বিচারপতিবিচারপতি মানিক
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

গুম, খুন ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
ছবি: নৌবাহিনী প্রধানের ভোলা কন্টিনেন্ট পরিদর্শন।

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেপালের পোখরা ভ্রমণ: পাহাড়ের কোলে শান্তির সন্ধান

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

লড়াই করে হারল নেপাল, ‘ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়া’ জয় ইংল্যান্ডের

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

বিতর্ক ওঠা ছবিটি ‘এআই’ হতে পারে: ফারুক

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT