বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে ১৫ জানুয়ারি মিরপুরে শুরু হবে ত্রিদেশীয় সিরিজ। আসরের অন্য দল শ্রীলঙ্কা। এখনও চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেনি কোন দলই। জাতীয় দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন জানালেন, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের স্কোয়াড দেখেই সাজানো হবে বাংলাদেশের মূল পরিকল্পনা।
টাইগারদের ৩২ সদস্যের প্রাথমিক দল ছোট হয়ে ২৪এ নেমে এসেছে। বিসিবি লাল ও সবুজ দলে ভাগ হয়ে মিরপুরে নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলছেন তারা। ৫০ ওভারের ম্যাচটিতে চোখ রেখেছেন নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার সুমন। শনিবার জাতীয় দলের কোচিং স্টাফদের সঙ্গে মাঠের এক কোণে দাঁড়িয়ে স্কোয়াড গঠনে শেষ মুহূর্তের আলাপও সেরেছেন। দলও নাকি চূড়ান্ত করে ফেলেছেন নির্বাচকরা। দুই-একদিনের মধ্যে আসবে ঘোষণাও।
প্রস্তুতি ম্যাচের ইনিংস বিরতির মাঝে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে স্বাগতিকদের পরিকল্পনা নিয়ে জানালেন সুজন, ‘টিমটা হয়ত কয়েকদিনের মধ্যেই পেয়ে যাব। পরিকল্পনা একটা করছি। মূল স্কোয়াড পেলে হয়ত পরিকল্পনা সাজাতে আরও সুবিধা হবে। আমরা তো জানি কারা খেলবে, ৮-১০ জন তো নিশ্চিতই আছে, যারা খেলবেই। কম্বিনেশন কী হবে সেটা প্রতিপক্ষ দেখে ঠিক হবে। শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে এখনও দল দেয়নি। প্রতিপক্ষের দুর্বলতা ও শক্তির জায়গা দেখেই আমরা পরিকল্পনা সাজাবো।’
‘গৎবাঁধা যেভাবে করেছি, সবসময় যে সেরকম হবে তা নয়। উইকেটও দেখব, কীরকম হয়। আমাদের শক্তির জায়গা অবশ্যই ধরে রাখব। যেভাবে ভাল হয় সেভাবেই আমরা পরিকল্পনা করব। ভিন্ন ভিন্ন দিনে সেরা টিম কোনটা হয় সেই অনুযায়ী পেশাদার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ যোগ করেন জাতীয় দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর।
প্রস্তুতি ম্যাচে তামিম খেলেছেন ১১৯ বলে ১০৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৮৭ রান করেছেন ৭৫ বলে। তাতে ৩২০ রানের সংগ্রহ পেয়েছে সাকিবের লাল দল। বড় সংগ্রহ দেখে সন্তুষ্টির কথা জানালেন সুজন, ‘অনেকদিন আমরা ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলি না। সেই সাউথ আফ্রিকা সিরিজের পর। ৫০ ওভারের ম্যাচ আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানটায় টেম্পারমেন্ট ভিন্ন। সেটাকে ফিরিয়ে আনার জন্য হয়ত আরেকটা ম্যাচ খেলব। রানে থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তামিম তো রানেই ছিল। বাকিরাও ভাল খেলেছে। ভাল একটা রান উঠেছে। ফিল্ডিংয়ে ৫০ ওভার থাকা ও বোলারদের বোলিং ফিটনেস গুরুত্বপূর্ণ। ইতিবাচক ব্যাপার হল, ব্যাটসম্যানরা ভাল করেছে।’
সিরিজে প্রতিপক্ষ দল নিয়ে ভাবনা থাকলেও অবশ্য নিজেদের নিয়ে পূর্ণ আস্থাও আছে সুজনের, ‘আমাদের টিমে শক্তির ভারসাম্য রয়েছে। স্পিন, ফাস্ট বোলিং- সব কম্বিনেশন ঠিক আছে। ছেলেদের ফিটনেসও ভাল অবস্থায় আছে। সাতদিনের মত সময় আছে হাতে, সমস্যা যা আছে সেটা নিয়ে কাজ করব। শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে দুটিই ভাল দল। তাদের বিপক্ষে পরিকল্পনা সাজাতে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঙ্গে বেশ কিছু তরুণ খেলোয়াড়ও আছে আমাদের।’








