সারাদেশে যেন সুষম উন্নয়ন হয় সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের এই নীতির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামেও একই রকম উন্নয়ন হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার।
রোববার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানির মতো মৌলিক সামাজিক সেবা নিশ্চিত করার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পাড়াকেন্দ্রের ৪ হাজারতম কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় তিনি বলেন, শান্তি চুক্তির সিংহভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে, বাকিটাও দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। ভূমি কমিশন করে পার্বত্য এলাকার জমি সমস্যার সমাধান করে এখানে ফল ও সবজি চাষ করে সেগুলো রপ্তানী করার চেষ্টা করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ আমলের আইন নয় যুগোপযোগী আইন দিয়েই পাহাড়িদের জমির মালিকানা বুঝিয়ে দেয়া হবে। আমরা চাই পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভূমির মালিকানা তার নিজের থাকবে। এই অঞ্চলের উন্নয়ণের জন্য আমরা রুমা থেকে থানচি সেতু করতে গিয়ে, বিদ্যুতের জন্য গ্রিড লাইন তৈরি করে দিয়েছি।
এই অঞ্চলের মানুষের শিক্ষার উন্নয়ণের জন্য চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ভাষায় আমরা বই ছাপিয়ে বিভিন্ন স্কুলে স্কুলে সরবরাহ করেছি। বাজেটে আঞ্চলিক পরিষদের জন্য থাকছে আলাদা বারাদ্দ।
এছাড়াও, ঢাকার বেইলি রোডে আঞ্চলিক পরিষদের সদস্যদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে আধুনিক এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের আদলে দৃষ্টিনন্দন ডর্মেটরি। যেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তারা ঢাকায় আসলে থাকতে পারে।







