সাউথ আফ্রিকান বোলার ওয়েইন পারনেলের হোটেলরুমে বিরক্তিকর ফোনকল যাওয়ার দায়টা নিজের কাঁধে নিতে রাজি নয় হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও বা বিসিবির কেউ। দু’ পক্ষেরই দাবি, দায়টা অন্যপক্ষের।
ঘটনার এতোটা সময় পরে এসেও বিষয়টা জানেন না বলেই জানালেন হোটেল সোনারগাঁওয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সালমান কবির। তিনি বলেন, আমরা ব্যাপারটা জানি না।
তিনি জানান: হোটেলে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দল থাকলে সেখানে তাদের দায়িত্বে বিসিবির একটা টিম থাকে। হোটেলে থাকা খেলোয়াড়দের কোনো ফোনকল এলে আমরা বিসিবির কাছে ট্রান্সফার করে দেই। পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন যে আদৌ সেই কল ক্রিকেটারকে দেওয়া হবে কি না?
‘তাই এই ফোনকলের ব্যাপারে আমরা অবগত নই,’ বলে জানালেন হোটেলের মুখপাত্র।
বিসিবির সিকিউরিটি কনসালটেন্ট হোসেন ইমাম বলেন, যে হোটেলে খেলোয়াড়রা থাকেন সেখানে বিসিবির একটা ম্যানেজমেন্ট টিম থাকে। খেলোয়াড়দের কোনো ফোন আসলে সেটা আগে বিসিবির কাছেই ট্রান্সফার করার কথা।
‘কিন্তু এই টিএন্ডটি ফোনের ক্ষেত্রে সেটা সরাসরি খেলোয়াড়ের ঘরে ট্রান্সফার করা হয়েছে। তাতেই বিপত্তিটা ঘটেছে,’ বলে মন্তব্য বিসিবির নিরাপত্তা পরামর্শকের।
‘তবে এখন বিষয়টা নিয়ে আলোচনা চলছে। মিটিংও চলছে নানান পর্যায়ে। নিশ্চয়ই দ্রুত সমাধান আসবে, বলে আশাবাদী হোসেন ইমাম।
একমাসের সফরে বাংলাদেশে প্রোটিয়ারা। ঢাকায় অবস্থানের পুরো সময়টাই পুরো দল থাকবে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে।
কিন্তু প্রথম টি২০ ম্যাচে মাঠে নামার আগে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন পারনেল। হোটেল রুমে তার কাছে একটি ফোনকল আসে। ওই ফোনে তাকে জঙ্গি আখ্যা দেওয়া হয়। হুমকি দেওয়া হয় দেখে নেওয়ারও। ৫ জুলাই সকাল ১১টায় মিরপুরের উদ্দেশে বাস ছাড়ার আগে তৈরি হচ্ছিলেন সাউথ আফ্রিকান পেসার। সেসময়ই তার ঘরের টিএন্ডটি ফোনটি বেজে উঠে।
পরে পারনেল দ্রুত ফোন কেটে দিয়ে নিচে এসে নিরাপত্তাকর্মীদের বিষয়টি জানান।






