উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দুর্ভোগ কমেনি বন্যা দুর্গতদের। অনেক এলাকায় চলছে ত্রাণের জন্য হাহাকার। মধ্যঞ্চলে নদ-নদীর পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। পুনর্বাসন সহায়তার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
দেশের উত্তরাঞ্চলে নদ-নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করেছে। কুড়িগ্রামেও ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ কয়েকটি নদীর পানি কমে যাওয়ায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিছু এলাকার ঘরবাড়ী থেকে পানি নেমে গেলেও এখনও বন্যার পানি নেমে যায়নি নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ী থেকে।
এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ীতে ফিরতে পারছেন না বানভাসিরা। অনেক পরিবার বাঁধ ও পাকা সড়কে আশ্রয় নিয়ে টানা ২ সপ্তাহ ধরে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সরকারী-বেসরকারী ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও সমন্বয়হীনতার অভাবে ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ বন্যা দুর্গতদের।
সিরাজগঞ্জেও যমুনা নদীর পানি কমতে থাকায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতির। তবে এখনো যমুনার পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। পানিতে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে জেলার সদর, কাজীপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। সবচেয়ে বেশী দুর্ভোগে রয়েছে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের মানুষ। দেখা দিয়েছে খাবার পানির সংকট আর পানি বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব।
লালমনিরহাটে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। ঘরে ফিরতে শুরু করেছে দুর্গতরা। বন্যায় ৫টি উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন পুনর্বাসন নিয়ে দু:শ্চিন্তায় তারা।
শরীয়তপুরে সুরেশ্বর পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে ২০ ইউনিয়নের ১০০টি গ্রাম। জাজিরা, নড়িয়া এবং সদর উপজেলার ৮০ টি বিদ্যালয়য়ের শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।









