জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেছেন, দেশে করবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। ব্যবসায়ীরা যেন বেশি বেশি কর দেন সেই চেষ্টা চলছে। নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ, তবে আমরা চেষ্টা করছি অবশ্যই সফলতা অর্জন করব।
বুধবার এনবিআর কার্যালয়ে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রাক বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান অারো বলেন, ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে সবকিছুকে ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে। কেউ যেন ভ্যাট ফাঁকি দিতে না পারে তার জন্য তরুণ প্রজন্ম কাজ করছে। তরুণরাই আগামীতে হবে এনবিআরের মুখপাত্র।
ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল বলেন, কর আইন আরো সহজ করতে হবে। এছাড়া দেশে করদাতার সংখ্যা কত, আর কর দেয় কতজনে সেটাও এনবিআরকে নজর রাখতে হবে।
অর্থপাচাররোধে করণীয় বিষয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, রেমিটেন্স আসা কমে গেছে। এর কারণ হলো দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে, হুন্ডি হচ্ছে। কিভাবে অর্থ পাচার রোধ করা যেতে পারে সেজন্য এনবিআর, দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংককে উদ্যোগ নিতে হবে।
কর আদায়ে বড় প্রতিষ্ঠানের প্রতি নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়ে ইআরএফ’র সাবেক সভাপতি সুলতান হোসেন বাদল বলেন, বড় প্রতিষ্ঠানগুলো আশানুরূপ কর দিচ্ছে না কেন। এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে। বিদেশে সেকেন্ড হোম নির্মাতারা দেশে সঠিকভাবে কর দিচ্ছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। এছাড়া ঝিমিয়ে পড়া শিল্পাঞ্চল গুলোকে জাগিয়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া দরকার।
তামাকজাত পণ্য সম্পর্কে এনবিআর এর সদস্য (মূসক নীতি) ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য টোবাকোর (তামাক) ব্যবহার কমানো এবং এখাত থেকে যত বেশি সম্ভব রাজস্ব আদায় করা। সেভাবেই নতুন ভ্যাট আইনে তামাকজাত পণ্যের স্লাব নির্ধারণ করা হচ্ছে।
আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-এনবিআর’র করনীতির সদস্য পারভেজ ইকবাল, শুল্কনীতির সদস্য মো. লুৎফর রহমান প্রমুখ।








