স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ড পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার দায়ী কিংবা জড়িত কিনা, সে প্রসঙ্গ এখনও আসেনি এমনকি তিনি নজরদারিতেওনেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনায় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে হত্যা করেছে, বাবুলকে তাদের মুখোমুখি করা হয়েছিল। তিনি এদের চেনেন কি না বা হত্যার রহস্য কী, তা উদ্ঘাটনেই এই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। কারা তাঁকে হত্যা করেছে, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তা স্পষ্ট হয়েছে। যারা হত্যা করেছে, তাদের অনেককেই আমরা ধরে ফেলেছি। বাকিদের ধরার প্রক্রিয়া চলছে।’
জঙ্গি নাকি অন্য কেউ? বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যার সঙ্গে সঙ্গেই জঙ্গিরা জড়িত বলা হলেও এখন হত্যাকারীরা গ্রেফতার হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কিছু বলা হচ্ছে না কেনো? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন,‘আপনারা ধৈর্য ধরেন। আমাদের গোয়েন্দারা অনেক চৌকস, তারা প্রতিবেদন দিক। তারপর আমরা সব বলতে পারব।এজন্যই একটু সময় নিচ্ছি আমরা।’
৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় নৃশংস ভাবে খুন হন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। এরপর গত শুক্রবার গভীর রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবুলকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। সেখানে যে পুলিশ পাহারা ছিল, গতকাল সোমবার তা তুলে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্সের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার; মাদকদ্রব্যের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পতির জন্য আলাদা একটি আদালত গঠনের চিন্তাভাবনাও চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।
সীমান্ত দিয়ে যাতে মাদক প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।







